নেই পর্যাপ্ত সিসিটিভি, বাতিস্তম্ভ, আর জি করে নিরাপত্তা পরিকাঠামোয় অখুশি CISF আধিকারিকরা, কী কী জানালেন তারা?

আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় গোটা রাজ্য তথা দেশ উত্তাল। সকল স্তরের মানুষ প্রতিবাদ জানিয়েছেন এই ঘটনায়। রাস্তায় নেমে চলছে আন্দোলন-বিক্ষোভ। জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি এখনও অব্যাহত। এরই মধ্যে আর জি করের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন CISF আধিকারিকরা।

নিজের কর্মক্ষেত্রেই ধর্ষিতা ও নির্মমভাবে খুন হন তরুণী চিকিৎসক। কর্মক্ষেত্রকে দ্বিতীয় বাড়ি বলা হয়ে থাকে। কারণ সেই জায়গাতেই দিনের বেশিরভাগ সময়টা অতিবাহিত করে মানুষ। কিন্তু সেই কর্মস্থলই হয়ে উঠল তরুণী চিকিৎসকের জন্য মৃত্যুফাঁদ। যে কর্মক্ষেত্রে আশার আলো নিয়ে একদিন প্রবেশ করেছিলেন তিনি, সেই কর্মক্ষেত্রেই নিভে যায় তাঁর জীবনের আলো। সেখান থেকে বের হয় তাঁর নিথর দেহ।

আর জি কর ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। প্রথমে এই মামলা কলকাতা হাইকোর্টে উঠলেও এখন এই মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত একজন সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে অনেকেরই অনুমান, এই ঘটনায় যুক্ত একাধিক। এই ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। সুপ্রিম কোর্টে এই মামলা বিচারাধীন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই আর জি করে নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে সিআইএসএফ জওয়ানদের। তবে এবের হাসপাতালের নিরাপত্তা পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তারাই।

কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের কথায়, আর জি করে নিরাপত্তা ব্যবস্থাই কঠোর নয়। ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত সিসিটিভি নেই। এমনকি বাতিস্তম্ভও নেই সেরকম। পাঁচিলে কাঁটাতার নেই ফলে যে কোনও বহিরাগত সহজেই হাসপাতাল চত্বরে ঢুকে পড়তে পারবে। তাদের তরফে এও জানানো হয়েছে হাসপাতালের বাইরে যে সমস্ত বড় বড় গাছ রয়েছে, সেই গাছের ডাল ধরেও কোনও দুষ্কৃতী চাইলেও হাসপাতালের ভেতর ঢুকে পড়তে পারে।

আরও পড়ুনঃ নিথর দেহ দেখেও নির্যাতিতার মা-বাবাকে ফোনে প্রথমে অসুস্থ তারপর আত্মহত্যার খবর কেন? কী গোপন করতে চাইছিল হাসপাতাল? কেন মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে দিয়ে ফোন? প্রকাশ্যে বিস্ফোরক অডিও ক্লিপ

সিআইএফএফের তরফে জানানো হয়েছে, এই নিয়ে তারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এমনকি পূর্ত দফতরেও জানানো হয়েছে এই সমস্যার কথা। বড় বড় গাছগুলোর ডালপালা যেগুলো হাসপাতালের ভেতর ঢুকে এসেছে, সেগুলি ছেঁটে দেওয়া যায় কী না, তা নিয়েও সুপারিশ করা হয়েছে সিআইএসএফ আধিকারিকদের তরফে। এছাড়াও হাসপাতাল চত্বরে যথেষ্ট পরিমাণ সিসিটিভি, বাতিস্তম্ভ লাগানোর সুপারিশও জানানো হয়েছে তাদের তরফে।

RELATED Articles