এই মাসের শুরুতেই ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকাল রিসার্চের কাছে র্যাপিড অ্যান্টিবডি টেস্ট কিটের নমুনা জমা দিয়েছিল নয়া দিল্লির ভ্যানগার্ড ডায়াগনস্টিক, কেরালার এইচএলএল লাইফকেয়ার এবং গুজরাটের ভক্সতুর বায়ো লিমিটেড নামে তিনটি সংস্থা। তারপরই লাইসেন্সের জন্যে আবেদন করে তারা।
এইচএলএল এবং ভক্সতুর ইতিমধ্যেই প্রোডাকশন শুরু করে দিয়েছে। ২০শে এপ্রিলের মধ্যে প্রথম ব্যাচের প্রায় ১ লাখ টেস্ট কিট ডেলিভারি দেওয়ার কথা এইচএলএল সংস্থার। অন্যদিকে আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে ভ্যানগার্ড ডায়াগনস্টিকও তাদের প্রোডাকশনের কাজ শুরু করবে। বর্তমানে রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পলিমেরেজ চেইন রিঅ্যাকশন টেস্টের মাধ্যমে নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তার ফলে ফলাফল জানতে সময় লাগে অন্তত ৫ ঘন্টা। সেখানে এই র্যাপিড টেস্ট কিটে মাত্র ৩০ মিনিটেই জানা যাবে নমুনা পরীক্ষার ফল।
এইচএলএল লাইফকেয়ার লিমিটেড গত ১৪ই এপ্রিল হরিয়ানার মানেসার প্লান্টে RTK তৈরির কাজ শুরু করেছে। সংস্থার তরফে এক সিনিয়র প্রতিনিধি জানিয়েছেন, ১ লাখ কিট তৈরি করে সরাসরি আইসিএমআর-এর হাতেই তা তুলে দেওয়া হবে। তিনি এও জানিয়েছেন RTK তৈরির জন্যে প্রয়োজনীয় কিছু সামগ্রী আনানো হয়েছে আমেরিকা থেকে। দিনে ২৫ হাজার টেস্ট কিট তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের।
তবে অপর দিকে গুজরাটের ভক্সতুর কাঁচা মালের জন্যে অন্য কোনও দেশের উপর নির্ভর করছে না। নিজেদের কারখানাতেই তৈরি হচ্ছে প্রয়োজনীয় যাবতীয় সামগ্রী। সংস্থার কর্ণধার এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর খুশরু পাস্তাকিয়া জানিয়েছেন, মাসে ১ কোটি টেস্ট কিট তৈরির মতো ক্ষমতা রয়েছে তাঁদের।






