জুনিয়র চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়াল টলিউড! ধর্মতলার মঞ্চে অনশনে যোগ দিলেন চৈতি, বিদিপ্তা, দেবলীনারা

গত ১৫ দিন ধরে অনশন করছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। নিজেদের ১০ দফা দাবীতে অনড় তারা। এবার তাদের পাশে দাঁড়াল টলিপাড়া। শনিবার সকাল ১১টা থেকে অনশন শুরু করলেন অভিনেত্রী দেবলীনা দত্ত থেকে শুরু করে বিদিপ্তা চক্রবর্তী, চৈতি ঘোষালদের। তাদের সঙ্গে রয়েছেন পরিচালক  বিরশা দাশগুপ্তও।

জানা গিয়েছে, আজ, শনিবার সকাল ১১টা থেকে এই অনশন শুরু করেছেন তারা। প্রতীকী অনশন করবেন কলাকুশলীরা। আগামীকাল, রবিবার ১১টা পর্যন্ত চলবে তাদের এই অনশন। জুনিয়র চিকিৎসকদের সমর্থন করে তাদের পাশে দাঁড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নিলেন দেবলীনা, বিদিপ্তারা। সরকারকেও তোপ দাগেন তারা।

আর জি কাণ্ডে সুবিচার চেয়ে প্রথম থেকেই সরব হয়েছেন এই অভিনেত্রীরা। রাস্তায় নেমে করেছেন প্রতিবাদ। এদিন অনশন মঞ্চ থেকে অভিনেত্রী চৈতি ঘোষাল বলেন, চিকিৎসকদের সমস্ত দাবীই ন্যায্য। সমস্ত মানুষের হয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তারা। সরকার সবকিছু জেনেও কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ অভিনেত্রীর। তাঁর হুঁশিয়ারি, যদি কোনও খারাপ ঘটনা ঘটে যায়, তাহলে সরকারকেই সেই দায় নিতে হবে।

অভিনেত্রী বিদিপ্তা চক্রবর্তী বলেন, “আমরা অন্যায্য কিছু চাইছি না। প্রথম থেকেই ওঁদের সঙ্গে আছি। আমার কোনওভাবেই ডাক্তারদের দাবিকে অযৌক্তিক মনে হচ্ছে না। আজ থেকে ২৪ ঘণ্টা অনশন শুরু করেছি। আগামীতে পরিস্থিতি কেমন থাকে তা দেখেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব। তিনি আরও জানিয়েছেন, আমরা প্রয়োজনে শুধু জল আর ওষুধ ছাড়া কিছুই খাব না”।

অভিনেত্রী দেবলীনা দত্তের কথায়, “সাধারণ মানুষের ভোটেই ক্ষমতায় এসেছে সরকার। তাহলে সাধারণ মানুষকে সমস্যার কথা কেন জানাতে হবে? সরকারের উচিত ছিল সুবিচারের দাবিতে জুনিয়র ডাক্তারদের দাবি মেনে নেওয়া। কিন্তু সেটা হয়নি। যে সমস্যার সমাধান একদিনে হয়ে যায় তা মেটাতে ১৫ দিন আমরণ অনশন! এটা মেনে নেওয়া যায় না”।

আরও পড়ুনঃ ‘থ্রেট কালচারের অংশ হয়ে হুমকি দিয়ে রাজনীতি করবেন না’, রাজ্য সরকারকে দেওয়া ডেডলাইন প্রসঙ্গে জুনিয়র চিকিৎসকদের আর্জি কুণালের 

প্রসঙ্গত, জুনিয়র চিকিৎসকরা প্রথম থেকেই বলে আসছেন যে তাদের এই আন্দোলন অরাজনৈতিক। সেই কারণেই কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে তারা নিজেদের আন্দোলনে সামিল করেন নি। তাদের ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিয়েছেন। চিকিৎসকদের সমর্থনে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন সাধারণ মানুষ। এরই মধ্যে জুনিয়র চিকিৎসকদের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, সোমবারের মধ্যে তাদের দাবী পূরণের জন্য মুখ্যমন্ত্রী যদি আলোচনায় না বসেন, তাহলে মঙ্গলবার থেকে সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ধর্মঘট করবেন তারা।

আরও অন্যান্য খবর