সম্প্রতি সোনার দোকানে ডাকাতি বা ডাকাতির চেষ্টার ঘটনা বেশ বেড়েছে। শেষ কয়েকমাসে এমন একাধিক অভিযোগ শোনা গিয়েছে। এবারও ঘটল তেমনই ঘটনা তাও আবার খাস কলকাতায়। সোনার দোকানে লুঠের চেষ্টা। বাধা দিতে গেলে মালিকের গলায় চালানো হল ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ।
ঘটনাটি ঘটেছে আজ, রবিবার কলকাতার মুকুন্দপুর বাজার লাগোয়া একটি সোনার দোকানে। জানা গিয়েছে, এদিন বেলা পৌনে ১২টা নাগাদ ওই সোনার দোকানে ঢোকে দুই ব্যক্তি। সাধারণ ক্রেতা হিসেবেই দোকানে ঢুকেছিল তারা। ফলে তাদের দেখে কোনও সন্দেহ হয়নি দোকানের মালিকের।
তবে এরপরই আচমকাই অতর্কিতে শুরু হয় হামলা। দোকানে ঢুকে লুঠ করার চেষ্টা চালায় দুই দুষ্কৃতী। মালিক তাতে বাধা দিতে গেলে তাঁর গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ বসিয়ে দেওয়া হয়। মালিকের চিৎকার শুনে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। তারাই দুষ্কৃতীদের পাকড়াও করে।
এরপরই খবর দেওয়া হয় পুলিশে। দুই দুষ্কৃতীদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। কী কারণে এই হামলা তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত করছে পূর্ব যাদবপুর থানার পুলিশ। আরও কেউ বা কারা এই চক্রে জড়িত কী না, তা জানার চেষ্টা চলছে। এমন ঘটনায় মুকুন্দপুর এলাকায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়ায়।
জানা গিয়েছে, দোকানের মালিককে আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয় আরএন টেগোর হাসপাতালে। বর্তমানে তাঁর অবস্থা একটু স্থিতিশীল বলেই খবর। গত কয়েকমাসে রাণাঘাট, পুরুলিয়ার সোনার দোকানেও এমন লুঠের ঘটনা ঘটেছে। আর এদিন দিনেদুপুরে এমন লুঠের চেষ্টার ঘটনার ফের এজবার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমরা মোড়ের মাথায় চা খাচ্ছিলাম। ও তো এলাকার ছেলে দেখি ওর গলা থেকে রক্ত বেরচ্ছে। তারপর একজন দিদি ছিলেন। তিনি গলায় রুমাল দিয়ে বেঁধে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছে। দুজন দুষ্কৃতী ধরা পড়েছে”।
আরও পড়ুনঃ অদ্ভুত কাণ্ড! মৃতদেহ থেকে ‘উধাও’ চোখ, ‘ইঁদুরে মনে হয় খুবলে নিয়েছে’, পরিবার বিক্ষোভ দেখাতেই সাফাই হাসপাতালের
জানা যাচ্ছে, দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। কেন এমন হামলা চালাল তারা, এই ঘটনার পিছনে আরও কেউ বা কারা রয়েছে কী না, তা জানার চেষ্টা চলছে।





