ভারতের নতুন প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের নীতিকে ‘অনৈতিক’ বলে কটাক্ষ চীনের।

ভারতের নতুন এফডিআই বা প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের নীতির বিরুদ্ধে এবার সরব হল চীন। বিদেশি বিনিয়োগ সংক্রান্ত ভারতের নতুন নীতিকে ‘অনৈতিক’, ‘বৈষম্যমূলক’ বলে কটাক্ষ করেছে শি জিংপিংয়ের দেশ। নতুন এই নীতি সরাসরি চীনের বিনিয়োগে প্রভাব ফেলবে বলেও মতপ্রকাশ করেছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, টালমাটাল বিশ্ব র্থনীতির সুযোগ নিয়ে চীন বিকল্প পথে বহু সংস্থার শেয়ার কিনে নিচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর‌ই বিদেশি সংস্থা গুলি যাতে দেশীয় সংস্থাগুলিকে অধিগ্রহণ করতে না পারে বিশেষত চীনের কথা মাথায় রেখে দেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের নীতিতে পরিবর্তন আনে ভারত।

https://twitter.com/China_Amb_India/status/1251402670117498880

https://twitter.com/China_Amb_India/status/1251402764334186497

https://twitter.com/China_Amb_India/status/1251402896396046337

https://twitter.com/China_Amb_India/status/1251402990533013504

https://twitter.com/China_Amb_India/status/1251403076822462464?s=20

https://twitter.com/China_Amb_India/status/1251403186759319552?s=20

শনিবার বিবৃতি দিয়ে ভারত সরকার জানিয়ে দেয়, সরকারি অনুমতি ছাড়া সীমান্ত লাগোয়া দেশ যদি এই দেশে বিনিয়োগ করতে চায় তাহলে সরকারি অনুমতি বাধ্যতামূলক। নিয়ম বলছে, ভারতে দুটো পদ্ধতিতে বিদেশি বিনিয়োগ করা যায়। এক, স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি। এ ক্ষেত্রে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য সরকারের কোনও অনুমতি লাগে না। দ্বিতীয় পদ্ধতির ক্ষেত্রে সরকারের অনুমতি প্রয়োজন। প্রতিরক্ষা, টেলিকম এবং ওষুধ-সহ এমন ১৭টি ক্ষেত্র রয়েছে, যেখানে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য সরকারের অনুমতি নিতে হয়। আগের প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের নিয়ম অনুযায়ী, এ দেশে বিনিয়োগ করতে গেলে শুধুমাত্র পাকিস্তান এবং বাংলাদেশকেই সরকারের অনুমতি নিতে হত। বাকি দেশগুলোর ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য ছিল না। পরিবর্তিত নিয়ম অনুযায়ী এখন চিনকেও সরকারের পথ হয়েই বিনিয়োগের রাস্তায় হাঁটতে হবে।

ভারতের এই নতুন নীতিই স্টার্ট আপ সংস্থাগুলির জন্য বিদেশি মূলধনের জোগানের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করেছিলেন শিল্পমহলের একাংশ। এবার চিন অভিযোগ তুলে জানাল, “ভারত সরকার আদপে উদারীকরণের বিরোধী। তাই মূলধন বিনিয়োগে সরকারি অনুমতি বাধ্যতামূলক করছে।” একইসঙ্গে তাঁদের অভিযোগ, “ভারত সরকারের পরিবর্তিত নিয়ম বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়মনীতির পরিপন্থী”। এ প্রসঙ্গে চিনা দূতাবাসের মুখপাত্র জি রং বলেন, “চিনা বিনিয়োগের উপর এই নীতির প্রভাব স্পষ্ট।” একইসঙ্গে তাঁর আশা, ভারত সরকার তাঁদের এই নিয়মে বদল আনবে।

ভারতের নতুন প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের নীতিকে 'অনৈতিক' বলে কটাক্ষ চীনের।

ভারতের নতুন প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের নীতিকে 'অনৈতিক' বলে কটাক্ষ চীনের।

RELATED Articles

Leave a Comment