তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার প্রাণঘাতী পরমাণু চুল্লির রাসায়নিক, ‘আগেই বলেছিলাম তৃণমূল মারণ রাসায়ানিক আমদানি করছে’, গর্জে উঠলেন অর্জুন

তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার হল প্রাণঘাতী পরমাণু চুল্লির রাসায়নিক। ওই নেতার বাড়ি থেকে বহুমূল্য তেজস্ক্রিয় রাসায়নিক ’ক্যালিফোর্নিয়াম; উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। এমন রাসায়নিক কীভাবে তৃণমূল নেতার বাড়িতে এল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এই ঘটনায় বিজেপি নেতা অর্জুন সিংয়ের দাবী, “আমি আগেই বলেছিলাম তৃণমূল মারণ রাসায়নিক আমদানি করছে”।

ঘটনাটি ঘটেছে দার্জিলিংয়ের নকশালবাড়িতে। সেখানকার তৃণমূল নেতা তথা ফরেস্ট কর্মী ফ্রান্সিস এক্কার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে এই ক্যালিফোর্নিয়াম যার এক গ্রামের মূল্য ১৭ কোটি টাকা। আজ, শুক্রবার পুলিশ ও এনডিআরএফ যৌথ অভিযান চালিয়ে এই রাস্যানিক উদ্ধার করে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে, এমনটাই খবর। শুধুমাত্র রাসায়নিক নয়, ওই নেতার বাড়ি থেকে ডিআরডিও নথিও মিলেছে বলে খবর।      

জানা গিয়েছে, ওই তৃণমূল নেতার নেপালে যাতায়াত ছিল। সম্প্রতি তাঁর পোশাক বা চালচলনেও বেশ পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছিল যা চোখে লাগার মতো। ওই নেতাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে মিরিক থানার পুলিশ। এই নেতা কোনও চক্রে যুক্ত কী না, বা আর কারা এই বুশ্যে যুক্ত, কোথা থেকে তিনি এই মারণ রাসায়নিক পেলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বড়সড় কোনও নাশকতার ছকের পরিকল্পনাও উড়িয়ে দিতে পারছে না পুলিশ।  

এই ঘটনায় এবার বিস্ফোরক বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। কিছুদিন আগেই তিনি দাবী করেছিলেন, তাঁকে ও শুভেন্দু অধিকারীকে খুন করার জন্য রাশিয়া থেকে রাসায়নিক আনা হয়েছে। এবার তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে এমন মারণ তেজস্ক্রিয় উদ্ধারের পর অর্জুন বললেন, “আমরা আগে থেকেই সন্দেহ করছিলাম পশ্চিমবঙ্গের সরকার অলিখিতভাবে জঙ্গিদের সঙ্গে আছে। মানুষ দেখছে, কিন্তু কিছু করতে পারছে না। আমরা সব সময় কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের দাবি করছি। আজকে তা প্রমাণ হল। কিছুদিন আগে আমি বলেছিলাম এমন একটা রাসায়নিক আমদানি করা হয়েছে যেটা মানুষের কাছে স্প্রে করে দিলে মানুষ মাস দুয়েকের মধ্যে মারা যাবে। আজকে সেটা প্রমাণ হল। ফ্রান্সিস এক্কার বাড়ি থেকে উদ্ধার হল। এতে বোঝা গেল বাংলা সন্ত্রাসবাদীদের কাছে মরুদ্যান হয়ে গেছে”।

আরও পড়ুনঃ ‘চরম বিপদে বাংলাদেশের হিন্দুরা, তাদের উপর হামলা করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত’, ব্রিটিশ পার্লামেন্টে গর্জে উঠলেন ব্রিটিশ সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান 

এমনকি রাজ্য পুলিশের এসটিএফকেও তীব্র আক্রমণ করেন অর্জুন। বলেন, “আর জি করের ঘটনায় খুনিদের যারা বাঁচানোর চেষ্টা করেছে সেই আধিকারিকদের এসটিএফে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসটিএফ নিজেরাই অস্ত্র রেখে নিজেরাই উদ্ধার করে। তার পর সংবাদমাধ্যমে সেটা সাফল্য বলে দাবি করে। কিন্তু অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও চার্জশিট দেয় না। ফলে তারা কয়েকদিন পরে জামিন পেয়ে যায়”।

RELATED Articles