শীতের সকালে হাড়হিম করা কাণ্ড খাস কলকাতায়। শহরের আবর্জনার মধ্যে থেকে উদ্ধার মহিলার কাটা মুণ্ডু। সাতসকালে এমন ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল শোরগোল ছড়ায় এলাকায়। আতঙ্কের পরিবেশ এলাকাজুড়ে। পুলিশ উদ্ধার করেছে মুণ্ডুটি। ঘটনার তদন্তে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ কলকাতার গলফগ্রিনে। আজ, শুক্রবার প্রতিদিনের মতোই গলফগ্রিনের এক ভ্যাটে আবর্জনা পরিষ্কার করতে যান সাফাইকর্মীরা। সেই সময় আবর্জনার মধ্যেই বলের মতো কিছু একটা জিনিস দেখতে পান তারা। ভালো করে নজর ফেরাতেই দেখা যায়, সেটি একটি মহিলার কাটা মুণ্ডু।
তাদেখে রীতিমতো ভয় পেয়ে যান সাফাইকর্মীরা। স্থানীয়দের জানানো হয় বিষয়টি। স্থানীয়রাই খবর দেয় থানায়। ঘটনাস্থলে আসে রিজেন্ট থানার পুলিশ। কাটা মুণ্ডুটি তারা উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। এমন ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তুমুল শোরগোল পড়েছে। আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকাবাসীদের মধ্যে।
গলফগ্রিনের মতো এমন ব্যস্ত এলাকায় এই ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মহিলাকে খুনের পর শুধুমাত্র মুণ্ডুই দেহ থেকে আলাদা করা হয়নি, দেহও টুকরো করা হয়েছে। প্রমাণ লোপাটের জন্য দেহাংশ নানান এলাকাত আবর্জনার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ পুলিশের।
বাকি দেহাংশ কোথায়? কারা এই নৃশংসতার সঙ্গে জড়িত? কেন খুন করা হল মহিলাকে? প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। গলফগ্রিন সংলগ্ন এলাকার নানান ভ্যাটে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। দেহ আবার বস্তায় ভরে জলে ফেলে দেওয়ার ঘটনাও উড়িয়ে দিতে পারছে না পুলিশ। সিসিটিভি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত এপ্রিল মাসে খিদিরপুরে উদ্ধার হয়েছিল এক মহিলার টুকরো টুকরো দেহ। মাথা, হাত-পা সবই আলাদা আলাদা করে প্লাস্টিকে মুড়ে আবর্জনার মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। খিদিরপুরের সেই ঘটনার কিনারা করেছিল পুলিশ। মহিলার এক আত্মীয়ের বিরুদ্ধেই খুনের অভিযোগ উঠেছিল। এবার এই গলফগ্রিনের ঘটনায় কী জানা যায়, এখন সেটাই দেখার!





