রাজ্যজুড়ে প্রতিনিয়ত দুর্নীতি, প্রতারণা, অপরাধ লেগেই রয়েছে। সাধারণ মানুষ জানতেও পারেন না, তাঁদের আশপাশে কীভাবে চলেছে অন্যায়ের রমরমা। বিশেষ করে নারীদের বিরুদ্ধে অপরাধের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। কখনও প্রতারণার ফাঁদ, কখনও বা মানসিক বা শারীরিক হেনস্থা—এই ধরণের ঘটনাগুলো সমাজের অন্ধকার দিকেরই প্রতিফলন।
শোবিজের দুনিয়া সবসময়ই চকচকে, ঝলমলে। বাইরে থেকে এই দুনিয়াকে দেখে যে কারও মনে হতে পারে, এখানে সুযোগের অভাব নেই। কিন্তু তার আড়ালেও কত অন্ধকার গলিপথ যে লুকিয়ে থাকে, তা বোঝা কঠিন। নতুন মুখদের স্বপ্ন দেখিয়ে অনেকেই ফাঁদ পাতেন, প্রতারণার জালে জড়িয়ে ফেলেন তরুণ-তরুণীদের। কখনও ‘অডিশনের’ নাম করে, কখনও ‘সুযোগের’ প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁদের ব্যবহার করা হয়।
সম্প্রতি কলকাতার গ্ল্যামার জগতে এমনই এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযোগ, এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে এক জনপ্রিয় ফটোগ্রাফারের নাম ব্যবহার করে মহিলাদের প্রতারণা করছিলেন। কখনও বলতেন, “অডিশনের জন্য ছবি লাগবে”, কখনও বা “গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডে কাজ পেতে হলে কিছু শর্ত মানতে হবে”। আর এইভাবেই একের পর এক মহিলাকে তাঁর ফাঁদে ফেলছিল অভিযুক্ত।
এই ঘটনায় চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছেন স্বয়ং সেই ফটোগ্রাফার তথাগত ঘোষ। তিনি জানান, “ওরা আমার নাম নিয়ে মহিলাদের ভয় দেখাত, নানা অশ্লীল কথা বলত। এমনকি আমি শুনেছি, একাধিক মহিলাকে হোটেলে নিয়ে গিয়ে পিছন থেকে তাঁদের জামা খুলে দেওয়া হত!” বিষয়টি জানার পর তিনি যাদবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
আরও পড়ুনঃ বাজেট বিতর্কে তৃণমূল-বিজেপির তীব্র সংঘাত! সংখ্যালঘু তোষণ নাকি সামগ্রিক উন্নয়ন? উঠছে প্রশ্ন!
ফটোগ্রাফারের অভিযোগ পাওয়ার পরই পুলিশ তদন্তে নামে। খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। একাধিক মহিলা এ বিষয়ে মুখ খুলতে শুরু করেছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে এই চক্রের পিছনে আর কেউ জড়িত কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গ্ল্যামার দুনিয়ার আড়ালে কতজন এমন প্রতারণার শিকার হয়েছেন, সেই প্রশ্নও উঠছে।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!