মণিপুরের বাতাসে দু’বছরের হিংসার আগুন এখনো থেমে নেই। ২০২৩ সালের মে মাস থেকে কুকি-মেতেই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাত চলছেই। বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমের ছবিতে দেখা যায় উভয় সম্প্রদায়ের মানুষই আতঙ্কিত। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন ওঠেছে, সরকারের শীর্ষ নেতৃত্ব কবে মণিপুরে পা রাখবেন? এই দ্বিধার মধ্যেই আশার আলো দেখা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শীঘ্রই মণিপুর সফরে যেতে পারেন।
বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি মণিপুরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মানুষের কষ্ট নিজের চোখে দেখুন এই মর্মে বারবার দাবি জানানো হয়েছে। যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংসদে বিবৃতি দিয়ে পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন, প্রধানমন্ত্রী নিজে তেমন কোনো মন্তব্য করেননি। এই নীরবতা নিয়ে রাজনৈতিক চাপ ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী একাধিকবার মণিপুরে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছেন। এই সমস্ত পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রীর ওপর চাপ আরও বাড়িয়েছে।
সূত্রানুসারে প্রধানমন্ত্রী মোদির মণিপুর সফরের পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। সূত্রের দাবি, সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী রাজ্যে পা রাখতে পারেন। যদিও সরকারিভাবে এখনো কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি, তবে সরকারি স্তরে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি চলতে শুরু করেছে। মণিপুরে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী কি কোনো শান্তি উদ্যোগ নেবেন, তা সময়ের অপেক্ষা।
মণিপুরে জাতিগত সংঘাতের শুরু ২০২৩ সালের মে মাসে। কুকি-মেতেই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাত বহু মানুষের প্রাণ কেড়েছে। বারবার শান্তি আলোচনার চেষ্টা করা হলেও উত্তেজনা স্থায়ী হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয়রা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রী নিজে গেলে পরিস্থিতি সামলানো সহজ হবে এবং মানুষকে মানসিক সান্ত্বনা মিলবে।
আরও পড়ুনঃ SSC Tainted List: অযোগ্য শিক্ষকদের তালিকা ঘিরে চাঞ্চল্য! কেউ কাউন্সিলরে কাছের লোক, কেউ মন্ত্রীর আত্মীয়—অযোগ্য শিক্ষকের এই তালিকায় কতজন তৃণমূল?
প্রায় আড়াই বছর পর মণিপুরে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফর অনেকের কাছে আশার বার্তা। মানুষ আশা করছেন, এই সফরকে কেন্দ্র করে নতুনভাবে শান্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে। যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি, কিন্তু রাজনৈতিক ও সামাজিক স্তরে আলোচনা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। মণিপুরবাসীসহ সমগ্র দেশ অপেক্ষা করছে প্রধানমন্ত্রী মোদির পদক্ষেপ কি সঠিক সময়ে পরিস্থিতি শান্ত করবে?





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!