পেট্রল ও ডিজেল সরবরাহ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এবার থেকে নির্দিষ্ট কিছু জরুরি প্রয়োজনে কন্টেনারে জ্বালানি দেওয়ার অনুমতি মিলবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, কৃষক, চা বাগানের শ্রমিক, হাসপাতাল এবং জরুরি পরিষেবার কাজে যাতে সমস্যা না হয়, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পোস্টে জানান, কন্টেনারে ডিজেল সরবরাহে নিষেধাজ্ঞা থাকায় বহু প্রয়োজনীয় পরিষেবা সমস্যার মুখে পড়েছিল। বিশেষ করে কৃষিকাজে ব্যবহৃত যন্ত্র চালানো এবং জরুরি পরিষেবা চালিয়ে যেতে অসুবিধা হচ্ছিল। পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার দ্রুত হস্তক্ষেপ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন পেট্রল পাম্প মালিকদের একাংশও। তাঁদের বক্তব্য, সরকার যে নিয়ম করবে, সেই নিয়ম মেনেই জ্বালানি সরবরাহ করা হবে। নতুন নির্দেশ কার্যকর হলে জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত মানুষ এবং কৃষি ক্ষেত্রের কাজ কিছুটা সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। সেই সময় অনেকেই ভবিষ্যতের আশঙ্কায় বাড়তি পেট্রল ও ডিজেল মজুত করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে নিরাপত্তার কারণে সাধারণভাবে অনুমোদিত পাত্র ছাড়া জ্বালানি সংরক্ষণ বা বহন করার ক্ষেত্রে কড়া নিয়ম রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ মধ্যরাতে পার্ক সার্কাস স্টেশনে হঠাৎ বুলডোজার অ*ভিযান! একের পর এক গুঁ*ড়িয়ে গেল দোকান ও গুমটি! রাজ্যের অন্য স্টেশনগুলিতেও কি নামতে চলেছে একই উচ্ছেদের ঝ*ড়?
এই পরিস্থিতিতে সরকার স্পষ্ট করেছে, সাধারণ মানুষের জন্য আগের নিয়মই বহাল থাকবে। তবে কৃষি, চা বাগান, হাসপাতাল এবং জরুরি পরিষেবার মতো অত্যাবশ্যকীয় ক্ষেত্রের প্রয়োজন বিবেচনা করে কন্টেনারে জ্বালানি দেওয়ার বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে, যাতে গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবার কাজে কোনও বাধা না আসে।






