দাদাগিরির নতুন সিজন শুরু হতেই দর্শকদের মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছে। এবার সঞ্চালকের ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা দেবকে। বহু বছর ধরে এই মঞ্চে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় যেভাবে জায়গা করে নিয়েছিলেন, তার পর দেবের আগমন নিয়ে আগ্রহ ছিলই। প্রথম পর্বেই শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতি এবং দেবের সঞ্চালনা বেশ ভালো সাড়া ফেলেছে দর্শকদের মধ্যে।
এই সিজনের একটি বড় আকর্ষণ হল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-এর ব্যবহার। শো চলাকালীন AI দেবকে তাঁর বিয়ে ও আয়ের বিষয় নিয়ে মজার ছলে খোঁচা দেয়। বলা হয়, তিনি অভিনয়, প্রযোজনা সহ নানা জায়গা থেকে আয় করেন, আর কিছু ‘ইত্যাদি’ উৎসও রয়েছে। এই মন্তব্যে সেটে হাসির রোল পড়ে যায়, আর দেবও কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন।
এই ঘটনার পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে দেবের মোট সম্পত্তি নিয়ে কৌতূহল বেড়েছে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় তিনি যে হলফনামা জমা দিয়েছিলেন, তাতে তাঁর সম্পত্তির একটি পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়। সেই অনুযায়ী, দেবের মোট সম্পদের পরিমাণ আনুমানিক ৪০ থেকে ৪৫ কোটি টাকার মধ্যে। তাঁর আয়ের মূল উৎস অভিনয়, নিজস্ব প্রোডাকশন সংস্থা এবং বিজ্ঞাপন।
অন্যদিকে, দাদাগিরির দীর্ঘদিনের মুখ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সম্পত্তির পরিমাণ অনেক বেশি। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর মোট সম্পদ প্রায় ৭০০ কোটি টাকা। ক্রিকেট কেরিয়ারের পাশাপাশি বিজ্ঞাপন, ব্যবসা, ধারাভাষ্য এবং নানা বিনিয়োগ থেকে তিনি আয় করে থাকেন, যা তাঁর সম্পত্তিকে আরও বড় করেছে।
আরও পড়ুনঃ ‘আরবানায় থাকতে গেলে যে যোগ্যতা লাগে, সেটা আমার আছে’ মন্তব্যে তুমুল বিত’র্ক! জানেন, ‘যোগ্য’ দিদি রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পড়াশোনা কতদূর?
এই হিসেব অনুযায়ী, সম্পত্তির দিক থেকে দেব সৌরভের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন। তবে দুজনের কাজের ক্ষেত্র আলাদা হওয়ায় এই তুলনা সরাসরি করা কঠিন। একদিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বড় নাম সৌরভ, অন্যদিকে বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা দেব। তা সত্ত্বেও দাদাগিরির মঞ্চে নিজের জায়গা তৈরি করতে দেব ইতিমধ্যেই দর্শকদের মন জয় করতে শুরু করেছেন।






