টলিউডে ফের নেমে এল শোকের ছায়া। প্রয়াত হলেন অভিনেতা টোটা রায়চৌধুরীর বাবা বিপ্লবাঙ্কুর রায়চৌধুরী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ফুসফুসের ক্যান্সারে ভুগছিলেন। প্রথমদিকে বড় কোনও শারীরিক সমস্যা ধরা না পড়ায় পরিবার বিষয়টির গুরুত্ব বুঝতে পারেনি। পরে হঠাৎ শরীরের যন্ত্রণা বেড়ে যাওয়ায় তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালে টানা তিন দিন চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে ছিলেন তিনি। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায়, তাঁর ফুসফুসের ক্যান্সার চতুর্থ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। চিকিৎসা দ্রুত শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়। প্রবল শারীরিক কষ্টের মধ্যেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
ঘটনাটিকে আরও বেদনাদায়ক করে তুলেছে সময়ের নির্মমতা। কয়েক দিন আগেই ছেলের জন্মদিনে টোটাকে আশীর্বাদ করেছিলেন তাঁর বাবা। কিন্তু সেই আনন্দের রেশ কাটতে না কাটতেই পরিবারের উপর নেমে আসে এই বড় শোক। বাবাকে হারিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন অভিনেতা এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
এই কঠিন সময়ে টোটা রায়চৌধুরী প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে তাঁর স্ত্রী শর্মিলী রায়চৌধুরী জানান, দীর্ঘদিন ধরে পিঠের ব্যথা ও শারীরিক সমস্যার কারণে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাঁকে। সেখানেই পরীক্ষার পর ধরা পড়ে মারাত্মক অসুস্থতার কথা এবং এরপরই শুরু হয় চিকিৎসা।
আরও পড়ুনঃ অ’নশনের ২১ দিনের মাথায় হাসপাতালে সোনম ওয়াংচুক! যন্তরমন্তরের অ’নশন মঞ্চ থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে সফদরজংয়ে ভর্তি করল দিল্লি পুলিশ! স্বাস্থ্যগত উদ্বেগেই কি এই পদক্ষেপ, নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে আরও বড় কোনও কারণ?
জানা গিয়েছে, বিপ্লবাঙ্কুর রায়চৌধুরীর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। আগামী ২২ জুলাই সমস্ত নিয়ম মেনে তাঁর শেষকৃত্য ও পরলৌকিক আচার সম্পন্ন হবে। আপাতত সব ধরনের কাজ থেকে বিরতি নিয়ে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন টোটা রায়চৌধুরী এবং পিতৃবিয়োগের শোক সামলানোর চেষ্টা করছেন।






