“তাঁর চেয়ে কুকুর হওয়া ভালো!” “আমি যে দেশের খাই, তার হয়েই লড়াই করি…” নাসিরুদ্দিনকে ‘শিয়াল’ বলে নজিরবিহীন কটা*ক্ষ কঙ্গনার! হঠাৎ কেন চটলেন অভিনেত্রী?

নাসিরুদ্দিন শাহকে ঘিরে বলিউডে নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ছাত্র আন্দোলনের সময় চলচ্চিত্র জগতের অনেকের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা। তাঁর সেই মন্তব্যের পরেই পালটা সরব হন অভিনেতা ও গায়ক পীযূষ মিশ্র। এবার পীযূষের বক্তব্যের পাশে দাঁড়িয়ে নাসিরুদ্দিন শাহকে সরাসরি আক্রমণ করলেন অভিনেত্রী তথা সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত।

কঙ্গনা তাঁর বক্তব্যে বলেন, প্রত্যেকেই কোনও না কোনও পক্ষের সঙ্গে যুক্ত, তাই কে কার ‘কুকুর’, তা নিয়ে তাঁর আপত্তি নেই। তবে তিনি নিজের অবস্থান নিয়ে গর্বিত। তাঁর দাবি, যে দেশের কাছ থেকে তিনি জীবিকা পান, সেই দেশের হয়েই তিনি কথা বলেন এবং প্রয়োজনে তার হয়ে লড়াইও করেন। নাসিরুদ্দিন শাহকে কটাক্ষ করে কঙ্গনা অভিযোগ করেন, তিনি এ দেশ থেকে উপার্জন করলেও তাঁর অবস্থান নাকি প্রতিবেশী দেশের পক্ষে।

এরপরই নাসিরুদ্দিন শাহকে ‘শিয়াল’ বলে কটাক্ষ করেন কঙ্গনা। তাঁর মতে, কুকুরকে বিশ্বস্ত ও সরল প্রাণী হিসেবে দেখা হয় এবং সেই কারণে কাউকে কুকুর বলা সবসময় অপমানজনক নয়। কিন্তু এই গুণগুলি সবার মধ্যে থাকে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। কঙ্গনার বক্তব্য, নাসিরুদ্দিন শাহের মতো শিয়াল হওয়ার চেয়ে তিনি বরং কুকুর হিসেবেই পরিচিত হতে বেশি স্বচ্ছন্দ।

এর আগে নাসিরুদ্দিন শাহ ছাত্রদের আন্দোলনের পাশে বলিউডের একাংশ না দাঁড়ানো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে এমন একটি কুকুরের তুলনা করেছিলেন, যার মুখে হাড় থাকায় সে ঘেউ ঘেউ করতে পারে না। সেই মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে পীযূষ মিশ্র নাসিরুদ্দিনকে পালটা প্রশ্ন করেন। তাঁর বক্তব্য, যাঁদের মুখে হাড় থাকার কারণে কথা বলা সম্ভব হয়নি, তাঁরা এখন কোথায়? ঝাড়খণ্ডের ছাত্র আন্দোলনের সময় তাঁদের নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ ছেলের একগুঁয়েমিতে নাজেহাল জয়জিৎ! কেউ কথা শোনাতে পারলেই দেবেন ৫০০ টাকা পুরস্কার! পরাজয় স্বীকার করে, শেষমেশ সমাজ মাধ্যমে সাহায্য চাইতেই অভিনেতার পোস্ট ঘিরে হইচই!

পীযূষ মিশ্র আরও দাবি করেন, নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে দিল্লি ও মুম্বইয়ে আন্দোলন করা কিছু ছাত্রের আচরণ ঝাড়খণ্ডের ছাত্রদের থেকে আলাদা ছিল। তাঁর অভিযোগ, আন্দোলনরত ওই ছাত্রদের একাংশের কাছে পিৎজা ও বার্গারের মতো খাবার পাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। এই ধরনের আরামদায়ক জীবনযাপনের প্রতি আগ্রহই কি তাঁদের প্রতিবাদে নীরব থাকার কারণ, সেই প্রশ্নও তোলেন পীযূষ। তাঁর মন্তব্যের পরেই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর