আজ শেষ হচ্ছে চতুর্থ দফার লকডাউন। এর মধ্যেই শিথিল হয়েছে লকডাউনের বহু নিয়ম। কাল থেকে আনলক পর্ব শুরু। যার জেরে খুলতে চলেছে সমস্ত ধর্মীয় স্থান। সেখানে অবশ্য ১০জন করে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সরকারি বেসরকারি অফিসগুলিও খুলতে শুরু করবে ৮ই জুন থেকে। এইসবের মধ্যে রাজ্যে সংক্রমন নিয়ে বড়ো ধাক্কা দিল স্বাস্থ্য দফতর। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্য এতদিনের করোনার সমস্ত রেকর্ড ভাঙল। এদিন রাজ্যে ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৭১ জন।এর আগে গত শুক্রবার একদিনে সর্বোচ্চ ৩৪৪ জন সংক্রামিত হন। স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিনে বলা হয়েছে, রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্ত ৫,৫০১ জন। যার মধ্যে সক্রিয় কেসের সংখ্যা ৩,০২৭টি।
জানা গিয়েছে এর মধ্যে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪৫। কো-মর্বিডিটিতে মৃত আরও ৭২ জন। এখন অবধি করোনা মুক্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন মোট ২,১৫৭ জন।
৩০ মে পর্যন্ত হিসেব করলে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা নিরীখে রাজ্যে জেলাগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ১,০১৪। এর পরেই রয়েছে হাওড়া ও উত্তর চব্বিশ পরগণা।
আমফান বিপর্যয়ের রেশ এখন কাটিয়ে উঠতে পারেনি রাজ্য। পাশাপাশি লকডাউনের জেরে অর্থনীতিও মুখ থুবড়ে পড়েছে। এছাড়াও গণপরিষেবন ব্যবস্থা সচল করতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে রাজ্য প্রশাসন। কাল থেকে খুলছে ধর্মস্থানগুলি। বাস পরিষেবাও সক্রিয় হতে চলেছে। যত আসন, ততজন যাত্রী এই নীতিতে বাস নামতে চলেছে রাস্তায়। ৮ তারিখ থেকে খুলবে সরকারি অফিসগুলিও। এই পরিস্থিতিতে যদি এই হারে করোনা সংক্রমন বাড়তে থাকে তবে কি হবে তা ভেবেই মাথাব্যথা বাড়ছে প্রশাসনের। একদিকে রাজ্যের অর্থনীতি,অন্যদিকে করোনা সংক্রমন কিভাবে লড়বে প্রশাসন দুটোর সাথে চ্যালেঞ্জের মুখে উদ্বিগ্ন সব রাজনৈতিক মহল।






