বিধাননগরে একসাথে উদ্ধার হলো বৃদ্ধা মা ও মেয়ের শবদেহ। গত দুদিন ধরে মা ও মেয়ের কোনো দেখা পায়নি প্রতিবেশিরা। এরপর শনিবার পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে ঘরের দরজা ভেঙে দু’জনের দেহ উদ্ধার করেন।বিধাননগরের বিই ব্লকের বাসিন্দা মৃত পাপিয়া দে (৮০) ও তাঁর মেয়ে শর্মিষ্ঠা কর পুরকায়স্থ (৫৬)। শর্মিষ্ঠাদেবী আবার মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুরজিত কর পুরকায়স্থের প্রাক্তন স্ত্রী। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন , কিছুদিন ধরে জ্বর-সর্দিতে ভুগছিলেন মা ও মেয়ে। এই তথ্য সামনে আসার পর দেহ দুটির করোনা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয় পুলিশ-কর্তারা।
পুলিশ সূত্রের খবর, শনিবার রাতে বিধাননগর কমিশনারেটে ফোন করে এক ব্যক্তি জানান, ২ দিন ধরে পাপিয়াদেবী ও তাঁর মা শর্মিষ্ঠাদেবীকে সোসাইটিতে দেখা যাচ্ছে না। এমনকি তাদের দরজাও ভিতর থেকে বন্ধ। অনেক ডাকাডাকি করলেও কেউ সাড়া দিচ্ছেন না। এর পরই তাদের বাড়িতে পৌঁছন পুলিশ আধিকারিকরা। দরজা ভেঙে ২টি আলাদা ঘর থেকে উদ্ধার হয় মা ও মেয়ের দেহ।এরপর দেহদুটিকে আরজি কর-এ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, গত কয়েকদিন ধরে জ্বর ও সর্দির মতো উপসর্গে ভুগছিলেন মা ও মেয়ে। এমনকী কিছুদিন হাসপাতালে চিকিৎসাও করাতে যান তাঁরা। ফলে তাঁরা করোনায় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন এই আশঙ্কা করছে পুলিশ। তবে আত্মহত্যার বিষয়টাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
তদন্তকারী এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই। তবু আত্মহত্যার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ফলে সমস্ত দিক থেকে এই মৃত্যুর কিনারা করার চেষ্টা শুরু হয়েছে।






