এপ্রিল থেকেই কাশ্মীরে জারি রয়েছে নাশকতা। তার মাঝে সোমবার সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হলেন এক কাশ্মীরি পণ্ডিত। দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগে সন্ত্রাসবাদীরা নৃশংস ভাবে খুন করল লারকিপোরার লুকবাওয়ান গ্রামের সরপঞ্চকে। কংগ্রেসের তরফে তিনি পঞ্চায়েত নির্বাচন জিতে ছিলেন। ৪০ বছরের অজয় ভারতীকে তাঁর বাগানে গুরুতর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।
তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। শোকপ্রকাশ করেছেন ওমর আবদুল্লাও। জানা যায়, ১৯৯০ সালে এই কাশ্মীরি পণ্ডিত পরিবার কাশ্মীর উপত্যকা ছেড়ে চলে যান। গত দুই বছর আগেই আবার ফিরে আসেন তিনি। তারপর পঞ্চায়েত ভোটে দাঁড়ান এবং জিতেও যান। কিন্তু বেশিদিন আর পঞ্চায়েত প্রধান থাকা হলোনা তাঁর। সন্ত্রাসের কবলে পড়ে তাঁর মৃত্যু হল।
আইএএনএস সংবাদসংস্থা তরফে জানানো হয়েছে, লস্করের এক শাখা সংগঠন দ্য রেসিসটেন্স ফোর্স এই হত্যার দায় স্বীকার করেছে। ভারতীয় সরকারের অনুগত থাকার জন্যই তাঁকে হত্যা করা হল বলে জানিয়েছে ফোর্স। পাশাপাশি এই সংগঠন হুমকি দিয়েছে, এরকম আরও যারা আছেন, তাদেরকেও ছাড়া হবে না।
এই মৃত্যুতে জম্মুর সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং, জানিয়েছেন, কাশ্মীর উপত্যকায় সারপঞ্চ-এর খুন একদম ভিটের স্তরে করে গণতন্ত্রকে হারানোর একটা মরিয়া চেষ্টা।
অজয়ের খুনিকে ধরতে উঠে পড়ে লেগেছেন পুলিশ ও সেনা। তারা ইতিমধ্যেই আলাদা আলাদা দল নামিয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরের কংগ্রেস সভাপতি জানিয়েছেন, অজয়ের কাছে কোনও নিরাপত্তারক্ষী ছিল না। এই ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি করেছেন তিনি। জীবনের ঝুঁকি আছে আশংকা করে অজয় সরকারের কাছে আর্জি জানালেও কোনও উত্তর আসেনি বলে দাবি করা হয়েছে কংগ্রেসের তরফে।






