ভারতীয়রা যতই চীনের বিরুদ্ধে গলা ফাটাক না কেন এখনো পর্যন্ত চীনকে সম্পূর্ণভাবে কড়া জবাব দিতে সক্ষম হয়নি ভারতবাসী। বামপন্থীরা এখনও চীনকে মাথায় করে রাখতেই ব্যস্ত। তারা ভারতে বসে চীনের হয়ে গলা ফাটায় কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া হয় না কোন ব্যবস্থা। পড়শি শত্রু দেশের স্বপক্ষে কথা বলার জন্য আজ পর্যন্ত বামপন্থীরা কোনদিনও ক্ষমা চায়নি।
চীনা অ্যাপ টিকটক ও হ্যালো এখনও প্রচুর ভারতবাসীর ফোনে থেকে গিয়েছে। কিন্তু চীনে টিকটকের স্থানীয় ভার্সনে একজন ভারতীয় ছাত্র চীনাদের অপমান করে কিছু কথা বলায় তাকে চীনারা যেভাবে সবক শেখালেন তা রীতিমত অভাবনীয়! এমনকি সেই ছাত্রের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও খবর পৌঁছে গিয়েছে। তাঁরা ছাত্রটির প্রতি কড়া নজর রাখছেন বলে জানা গিয়েছে।
মঙ্গলবার টিকটকের চীনা ভার্সন ডাউইন নামক একটি অ্যাপে কাদুক্কাস্সেরি নামক ওই ভারতীয় ছাত্রের কিছু কমেন্ট এর স্ক্রিনশট আপলোড করা হয়। সেখানে দেখা যাচ্ছে যে ওই ছাত্র চীনাদের চাইনিজ শুকর, চিঙ্কস, ডিকহেড এর মত কিছু অশ্রাব্য গালিগালাজ ব্যবহার করেছিলেন। সেই স্ক্রিনশট এরপর ভাইরাল হয় চীনা টুইটারের ভার্সন সিনা ওয়েবোতে।
এই ভাইরাল হওয়া স্ক্রিনশট দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে যান চীনবাসী। এমনিই চীনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এখন আদায়-কাঁচকলায়। সেখানে একজন ভারতীয় ছাত্রের চীনাদের এরকম অপমানজনক মন্তব্য স্বাভাবিকভাবেই ভালোভাবে নেননি তারা। তারা দাবি তুলতে থাকেন যে এই ভারতীয় ছাত্রকে এক্ষুনি চীন ছেড়ে নিজের দেশে ফিরে যেতে হবে। চীনাদের প্রতিবাদ এমন জায়গায় পৌঁছায় যে নড়েচড়ে বসে ছাত্রটির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জিয়াংসু বিশ্ববিদ্যালয়। তারা পুরো বিষয়টির ওপর নজর রাখছে এবং দেশের সম্মানহানি করার জন্য বিদেশিদের বিরুদ্ধে শাস্তি প্রয়োগ করার যে নিয়ম চীনে রয়েছে তা এই ভারতীয় ছাত্রের উপর প্রয়োগ করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে।
যদিও ওই ছাত্র বিষয় পরিবর্তন হওয়ার পর ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন চীনাদের কাছে। তিনি জানিয়েছেন যে তার এই কাজ সম্পূর্ণ অনিচ্ছা সহকারে ছিল এবং তিনি হঠকারিতা বসে এই রকম মন্তব্য করে ফেলেছেন। তিনি নিজের ওই কমেন্ট গুলো মুছে ফেলেছেন এবং ডাউইন থেকে অ্যাকাউন্টও তুলে দিয়েছেন। কিন্তু তিনি যতই এখন ক্ষমা চান না কেন চীনারা যে তাকে সহজে ছাড় দেবেনা তা তার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিক্রিয়া থেকেই স্পষ্ট।






