জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের কুটনৈতিক চালে সোমবার থেকে সেনা প্রত্যাহার করা শুরু করেছে চীন। পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর যেখানে যেখানে বিগত প্রায় ২ মাস ধরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সঙ্গে চৈনিকদের সংঘর্ষ চলছিল, সেই সব জায়গা থেকেই সেনা সরাচ্ছে বেজিং। আর এর ফলে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছাকাছি বসবাসকারী বাসিন্দারা মনে করেছিলেন যুদ্ধের আশঙ্কা তাহলে দূর হল। কিন্তু মঙ্গলবার রাত হতেই তাঁরা চমকে উঠলেন যুদ্ধ বিমানের কান ফাটানো শব্দে। প্রায় গোটা রাত লাদাখের পাহাড়ি এলাকায় টহল দিল ভারতীয় বায়ুসেনার বিমান।
https://twitter.com/AlphaWo40963407/status/1280741974832582656?s=20
তবে কি এবার পাকিস্তানের মতো চীনকেও সামরিকভাবেও জবাব দেওয়া হবে? আবারও হবে নাকি এয়ার স্ট্রাইক? আপাতত উত্তর হয়তো না। ভারতীয় প্রতিরক্ষা বিভাগ, সেনা বা বায়ুসেনার পক্ষ থেকে সেইরকম কোনও ইঙ্গিত এখনও পাওয়া যাচ্ছে না। সূত্রের খবর পাংগং হ্রদ, গোগড়া এবং হট স্প্রিংস-সহ পূর্ব লাদাখের সমস্ত অঞ্চলগুলি থেকে চীন সেনা প্রত্যাহারের পর আগের স্থিতাবস্থা পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত চীনকে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিতে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর এই অঞ্চলে ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান দিনে ও রাতে সমানভাবে নজরদারি চালিয়ে যাবে।
It's Gust Vs Beast!
On a full moon day, in the mid of the night, a power struggle. When#Chinook took off to a call of duty, the gusty winds in the valley pushes him to the ground. Ofcourse, @IAF_MCC will power wins the show.@airnewsalerts @AIRNewsHindi @DDIndialive @DDNewslive pic.twitter.com/848l9ghUYB— AIR News Leh (@prasarbharti) July 8, 2020
প্রতিরক্ষা বিভাগের এক পদস্থ কর্তা জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে ভারতের দিক থেকে কোনওরকম শিথিলতার প্রশ্নই নেই। সেনাবাহিনী এবং বায়ুসেনা – দুই বাহিনীই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর তাদের উচ্চ সতর্কতা বজায় রাখবে। অন্যদিকে গত কয়েকদিনে সীমান্ত এলাকাতেও সেনাবাহিনী ও বায়ুসেনার তৎপড়তা বাড়িয়েছে। আইএএফ পূর্ব লাদাখের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিতে যুদ্ধবিমান, হামলাকারী হেলিকপ্টার এবং পরিবহনের বিমানগুলির সংখ্যা দারুণভাবে বাড়িয়েছে। এছাড়া আইএএএফ এই অঞ্চলে ভারতের সামরিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করার জন্য ভারি সামরিক সরঞ্জাম ও অস্ত্র বহনকারী কয়েকটি বেশ কয়েকটি সামরিক মালবাহী বিমান-ও এনেছে।






