তীব্র গরমে পিপিই পরে মাটিতে বসে নার্স, কুর্নিশ জানাচ্ছেন নেটাগরিকরা

আসল করোনা যোদ্ধা তো তাঁরাই যারা দিন-রাত এক করে রোগীদের চিকিৎসা পরিষেবায় নিয়োজিত রেখেছেন নিজেদেরকে। ওই ভারী পিপিই পরে দিনরাত নিরলস পরিশ্রম করেও দুদন্ড জিরোনোর সময় নেই ডাক্তার ও নার্সদের।রণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে হার মানার প্রশ্নই নেই তাঁদের। তারই প্রকৃষ্ট উদাহরণ হিসাবে ভাইরাল হল একটি ছবি।

একজন নার্স ভারী পিপিই পরে ক্লান্ত হয়ে পা ছড়িয়ে মেঝেতে বসে পড়েছেন। এই ছবি সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে নেট দুনিয়ায়। যা দেখে বুকটা একটু হলেও ভারী হয়ে উঠছে সকলের। করোনাভাইরাস কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সারা দিনরাত এক করে কাজ করছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। কোনও ছুটি নেই কারোর। ঘন্টাখানেক যে জিরিয়ে নেবেন তারও যেন ফুরসত নেই।

তবুও এই যুদ্ধক্ষেত্রে লড়াইয়ের কষ্ট প্রকাশ্যে আনতে চান না কেউই। এই যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুকে তো আর প্রকাশ্য দেখা যায় না। তলোয়ারের বদলে এই রণভূমিতে যোদ্ধার অস্ত্র পিপিই (PPE), মাস্ক, গ্লাভস, স্যানিটাইজার।

ক্লান্ত হয়ে বসে পড়া এই নার্সের ছবিই আমাদেরকে মনে করিয়ে দিচ্ছে যে কতখানি ঝুঁকি সঙ্গে কাজ করছেন এই ফ্রন্টলাইন যোদ্ধারা। এই যোদ্ধারা যে আমাদের মতই রক্ত-মাংসের সাধারণ মানুষ। এই ছবিটি জানা গিয়েছে আসামের একটি হাসপাতালের ছবি। আসামে এখন তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই গরমে পিপিই পরে কাজ করা যে কী দুঃসাধ্য তা হয়তো আমরা অনুধাবন করতে পারবনা কিন্তু অনুমান তো করতেই পারি।

তাই এই ক্লান্ত সেনানীকে প্রাণ খুলে কুর্নিশ জানাচ্ছে নেটদুনিয়া। ছবিটি রিটুইট করে অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা লিখেছেন, “আমার দলের জন্য আমি গর্বিত।”

এই কাজে যে কতখানি ঝুঁকি তা আমরা সহজেই অনুমান করতে পারি, এইটুকু বুদ্ধি আমাদের আছে। আজকে এই মানুষগুলো না থাকলে ভারত পরিণত হত মৃত্যুপুরীতে। এদের জন্যেই ভারতে বর্তমানে করনে থেকে সুস্থতার হার ৬২% ছাড়িয়েছে। তাই তাঁদের সঙ্গে অভব্য আচরণ না করে তাঁদের পাশে থাকা প্রত্যেকেরই জরুরি।

আরও অন্যান্য খবর