জিনপিং এর আপন দেশে, আইন কানুন সর্বনেশে! জানুন এশিয়ার হিটলার সম্বন্ধে!

হিটলার এই পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন বহুদিন হল কিন্তু তাঁর ভাবধারায় অনুপ্রাণিত নেতানেত্রীদের রেখে দিয়ে গিয়েছেন। এশিয়ায় হিটলারের নাম রৌশন করতে শুরু করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তাঁর একনায়কতন্ত্রে অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছেন চীনের বাসিন্দারা। সম্প্রতি চীন যেভাবে ভারত ও অন্যান্য দেশগুলোর ওপর আগ্রাসী মনোভাব দেখাতে শুরু করেছে তাতে রীতিমত বিরক্ত আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল। এছাড়াও বর্তমানে বিশ্বে করোনা নামক ত্রাসের আবির্ভাব হয়েছে চীন থেকেই।

সম্প্রতি জানা গিয়েছে যে চীনের অনেক বিদুষী ব্যক্তিরা যার মধ্যে গবেষকও আছেন, অধ্যাপক আছেন, শিল্পপতি আছেন তাঁরা করোনাভাইরাস নিয়ে কোনোরকম মুখ খুললেই তাদেরকে সঙ্গে সঙ্গে পোরা হচ্ছে হাজতে। অনেকে প্রাণ ভয়ে দেশ ছেড়ে পালাচ্ছেন। সম্প্রতি হংকং এল এক চীনা ভাইরোলজিস্ট প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে গিয়েছেন বিদেশে।

সম্প্রতি জানা গিয়েছে যে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর নির্দেশে চীনে দুটো স্পেশাল ওয়ার্কিং গ্রুপ খোলা হয়েছে। যার মধ্যে একটি গ্রুপ নাগরিকদের উপর সব সময় নজর রাখবে। আরেকটি গ্রুপ শহরের সব দিকে নজর রাখবে। বকলমে এর অর্থ হল চীনা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললেই তাঁকে ভরে দেওয়া হবে জেল হাজতে। সম্প্রতি যেমনটা হল সিনঘুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জু ঝানগ্রুনের ক্ষেত্রে। সম্প্রতি তিনি নিউ ইয়র্কে একটি বই প্রকাশ করেছিলেন যেখানে প্রতিটি ছত্রে ছত্রে ছিল চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর সমালোচনা। তিনি লিখেছিলেন যে জিনপিংয়ের স্বৈরাচারের জন্য চীন বিশ্বে ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। একনায়ক জিনপিং সেই সমালোচনা সহ্য করতে না পেরে নির্দেশ দেন যে জেলে ভরতে হবে অধ্যাপককে।

দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের বাড়াবাড়ির জন্য ইতিমধ্যেই আমেরিকা পাঠিয়েছে দু’টি মার্কিন রণতরী। বিভিন্ন দেশে চীনের আগ্রাসনের জন্য ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলের চাপে ফেলা হচ্ছে চীনকে। উপরন্তু রয়েছে করোনার মত মারাত্মক বিষয়। তাই প্রেসিডেন্টের রাগ গিয়ে পড়ছে নিজের দেশের বাসিন্দাদের ওপর যারা তাঁর বিরোধিতা করছেন। করোনার তথ্য প্রকাশ করার জন্য গত বছর ডিসেম্বর মাসে উহান হাসপাতালের ডাক্তার লি ওয়েলিয়াংকে তুলে নিয়ে যান চীনা সিক্রেট সার্ভিস। পরে তিনি মারা যান এই সবটাই ঘটে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি সরকারের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর নির্দেশে।

মাও জে দং এর জমানায় প্রতিবাদী ছাত্রদের ট্যাঙ্ক দিয়ে পিষে মারার ঘটনা এখনো পর্যন্ত কেউ ভোলেননি। এর পরে হয়তো চীন অর্থনৈতিকভাবে ও সামরিক দিক দিয়ে উন্নতি করেছে কিন্তু মানসিকতায় একনায়কতন্ত্র গেঁথে বসে আছে চীনা সরকারের মধ্যে। তাই তার প্রতিফলন দেখা যায় বর্তমান প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর। তার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছ কি মরেছ! সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হল যে, শি জিন পিং নিজে আজীবণ প্রেসিডেন্ট পদে থাকার জন্যে তার দলের বিরোধী নেতাদেরও হত্যা করেছেন বলেও অভিযোগ।

আরও অন্যান্য খবর