উভয়মুখী চাপে ঘেঁটে গেছেন মরু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। শচীন, অশোক লড়াইয়ের মধ্যেই মাঠে নেমেছেন বসপা নেত্রী মায়াবতী। মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলত-এর বিরুদ্ধে বিধায়ক চুরির অভিযোগ এনেছেন তিনি।
হ্যাঁ সত্যি এমনই অভিযোগ এনেছেন মায়াবতী। তিনি জানান “গত বছর আমার ৬ জন বিধায়ক চুরি করেছিলেন অশোক গেহলত। কিনে নিয়েছিলেন তাঁদের। আমি অশোক গেহলতকে উচিৎ শিক্ষা দেব। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে যাব।”
লড়াইয়ের শুরু থেকে টিম পাইলটের বিধায়কদের বিজেপি কিনেছে বলে অভিযোগ হানছে টিম গেহলত। অন্যদিকে সেই মুখ্যমন্ত্রীর দলের বিরুদ্ধে আগে বহুজন সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক কিনে শক্তি বৃদ্ধির অভিযোগ তুললেন মায়াবতী।
রাজস্থানে সরকার গড়ার ম্যাজিক নম্বর ১০০। গেহলতের পক্ষে বিধায়কদের নম্বর ১০১। অর্থাৎ মাত্র একটি ধাপে এগিয়ে তিনি। একদম খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে আছেন তিনি।
মায়াবতীর অভিযোগ তাঁর ৬ জন বিধায়ককে কেনার ফলেই কোনওমতে সেই স্থানে পৌঁছেছে কংগ্রেস। আর এখন শচীনসহ ১৯ জনের বিদ্রোহ যে তাঁর রাতের ঘুম কাড়ার জন্য যথেষ্ট তা বলাই বাহুল্য।
তবে, মায়াবতীর অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে টিম গেহলত। তাঁদের প্রশ্ন, এমনটাই হয়ে থাকলে তখনই সুপ্রিম কোর্টে যাননি কেন মায়াবতী? এক বছর পর এমন পরিস্থিতিতে কেন মুখ খুলছেন তিনি?
প্রতিক্রিয়া অবশ্যই মিলেছে মায়াবতীর তরফে। তিনি জানিয়েছেন, “আমি চাইলেই সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারতাম। উচিৎ শিক্ষা দিতে পারতাম। কিন্তু সঠিক সময়ের অপেক্ষা করছিলাম। এখন সঠিক সময় এসেছে।”





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!