করোনা সন্দেহে এক বৃদ্ধকে আবাসনে ঢুকতে বাঁধা দিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ৫ ঘন্টা ধরে অ্যাম্বুল্যান্সেই পড়ে রইলেন বৃদ্ধ। প্রতিবেশীদের দাবি অসুস্থ ব্যক্তি যে করোনা আক্রান্ত নন সেই শংসাপত্র দেখাতে হবে। তবেই তাঁরা তাঁকে আবাসনে ঢুকতে দেবেন। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ঘটনাটি ঘটেছে দমদমে। জানা গেছে, এক দুর্ঘটনায় ওই ব্যক্তির পা ভেঙে যাওয়ায় তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এরপর তাঁর মেয়ে তাঁকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। কিন্তু প্রতিবেশীরা তাঁর বাবাকে আবাসনে ঢুকতে বাঁধা দেন। ফলে ৫ ঘন্টা ধরে তিনি অ্যাম্বুল্যান্সেই পড়ে থাকেন।
ওই ব্যক্তির জামাই জানান, “আমার শশুর মশাই এর হাড়ে অস্ত্রপ্রচার হয়েছে। উনি ভর্তি ছিলেন ভট্টাচার্য অর্থপেটিক সেন্টারে। সেটি একটি নন-কোভিড হাসপাতাল। আজ আমরা ওনাকে নিয়ে এসেছি বাড়িতে। কিন্তু আমাদের কেউ ঢুকতে দেয়নি। গত ৫ ঘন্টা ধরে উনি অ্যাম্বুল্যান্সেই পড়ে আছেন। শেষে আমরা বাধ্য হয়ে পুলিশের সাহায্য নিই। এখন পুলিশ অফিসাররা ব্যবস্থা নিয়েছেন বলে আমরা ঢুকতে পারছি।”
অন্যদিকে ওই আবাসনের এক ব্যক্তির বক্তব্য, “কোনো মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হলেই এখন তাঁর বাধ্যতামূলকভাবে কোভিড টেস্ট করা হচ্ছে। তাই আমরা সেই কোভিড টেস্টের রিপোর্টই দেখতে চেয়েছি। সেই রিপোর্ট যদি নেগেটিভ হয় তাহলে উনি ঢুকে যাবেন।” তিনি আরও বলেন, “যে ব্যক্তি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন উনি এই আবাসনের বাসিন্দা নন। ওনার বাড়ি কল্যাণীতে। তাই একজন বাইরের মানুষকে আবাসনে ঢোকার ক্ষেত্রে উনি কোভিড আক্রান্ত কিনা সেটাই আমরা জানতে চেয়েছি।”





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!