বিভিন্ন কারণে সবসময়ই সরগরম থাকে রাজ্য রাজনীতি। আর এবার বঙ্গ রাজনীতি কাঁপাচ্ছে বিশ্বভারতীর (Vishva Bharati University) পাঁচিল কাণ্ড। শনিবার বোলপুরে দলীয় কাজে যোগ দিতে এসেছিলেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় (locket chattopadhyay)। বিশ্বভারতীর পাঁচিল ভাঙ্গা প্রসঙ্গে তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, ‘বিদ্যাসাগরের (Ishwar Chandra Vidyasagar) মূর্তি ভাঙার স্টাইলেই ভাঙ্গা হয়েছে বিশ্বভারতীর পাঁচিল।’
অর্থাৎ এবার বিশ্বভারতীর পাঁচিল ভাঙ্গা কান্ডের সঙ্গে যুক্ত হল ঈশ্বরচন্দ্রের মূর্তি ভাঙার প্রসঙ্গ। হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় ওইদিন কৃষি বিল সংক্রান্ত আলোচনার জন্য বোলপুরে আসেন। সেই আলোচনারই প্রসঙ্গক্রমে উঠে আসে বিশ্বভারতী এবং বিশ্বভারতীর পাঁচিল ভাঙার কথা। তখনই নিজের বক্তব্যে লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমি কাজের সূত্রে ছোটবেলা থেকেই বোলপুরে আসি। আর বোলপুরে (Bolpur) এসে ছোট থেকেই দেখেছি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (Rabindranath Tagore) পাঠশালা। এখানে দেশ-বিদেশ থেকে পড়ুয়ারা পড়তে আসেন। এই বিশ্বভারতী আমার কাছে একটা আবেগ।” এই কথা বলার পরই শাসককে আক্রমণ করে বসেন তিনি। তার কথায়, “আমরা ছবিতে যেভাবে তৃণমূলকে বুলডোজার দিয়ে এই পাঁচিল ভাঙতে দেখেছি তা যেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গায়ে আঁচড় দিচ্ছে। এই ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আর এর পাশাপাশি এখান থেকে একটা জিনিস পরিষ্কার হয়ে যায়, বিদ্যাসাগরের মূর্তিও তারাই ভেঙেছিল এবং সেই স্টাইলে, সেই কায়দায় বিশ্বভারতীর পাঁচিল উপড়ে ফেলেছে।”
একই সঙ্গে তিনি এটাও জানান যে, “আমার মনে হয় আদালত তো আবার রায় দিয়েছে সেই পাঁচিল, সেই গেট তৈরি করে দেওয়ার জন্য। আর বিশ্বভারতীর প্রসঙ্গে আদালতের এই রায়কে সম্মান দিই কারণ তারাও বিশ্বভারতীর সম্মান অটুট রাখার জন্য এগিয়ে এসেছে।”






