সকাল থেকেই বিজেপি যুব মোর্চার নবান্ন অভিযান ঘিরে কলকাতা এবং হাওড়ায় সৃষ্টি হয়েছে উত্তাল পরিস্থিতির। ব্যারিকেড থেকে জলকামান, র্যাফ কমব্যাট ফোর্স নিয়ে প্রস্তুত ছিলো কলকাতা পুলিশ এবং বেলা গড়াতেই যত মিছিল এগিয়ে আসতে থাকে তত বিজেপি কর্মীদের ওপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ করতে শুরু করে কলকাতা পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশ।
হাওড়ার সাঁতরাগাছিতে বিজেপি কর্মীদের ওপর রাসায়নিক মেশানো নীল রঙের জল স্প্রে করা হয় যাতে অসুস্থ হয়ে পড়েন একাধিক কর্মী। রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়কে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়।
এরপরেই বিকালে বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয় একটি বিস্ফোরক ভিডিও টুইট করেন যেখানে দেখা যাচ্ছে একটি বাড়ির ছাদ থেকে পুলিশ রাস্তায় বিক্ষোভরত বিজেপি কর্মী সমর্থকদের উপর বোমা ছুঁড়ছে।
এই ভিডিওটি পোস্ট করতেই তার সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় এবং মমতা সরকারের পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভে গর্জে ওঠেন বিজেপি নেতা কর্মীরা। এই ভিডিওটি কে তুলেছেন তা জানা যায়নি তবে কলকাতা পুলিশের এহেন আচরণ দেখে হতবাক সকলে। কৈলাস বিজয়বর্গীয় সাফ লিখেছেন, “সরকারের প্ররোচনাতেই কলকাতা পুলিশ বিজেপি কর্মীদের এইরকম ভাবে আক্রমণ করেছে। পুলিশের এই আক্রমণের ফলে আজ আমাদের দেড় হাজার কর্মী আহত হয়েছেন।”
https://twitter.com/KailashOnline/status/1314166748363464705?s=20
স্বাভাবিকভাবেই এই ভিডিও দেখে মমতা সরকারের বিরুদ্ধে নিন্দা করেন সকলেই। কোন গণতান্ত্রিক দেশে প্রধান বিরোধী দলকে প্রতিহত করতে এইরকম হিংসার আশ্রয় নিতে হয় উঠছে সেই প্রশ্ন।
**এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি খবর ২৪x৭**






