বিহারে বিধানসভা ভোট চলছে! সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এর পরেই দেশে বাংলাতেই হতে চলেছে দ্বিতীয় বিধানসভা নির্বাচন। আর যার জেরে প্রস্তুতি তুঙ্গে। শাসক থেকে বিরোধী নিজেদের শক্তি ঝালিয়ে নিচ্ছে সব দলই। বঙ্গবাসীর মন জিততে কার্পণ্য করছে না কেউই।রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে আসা বিজেপিও মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে বঙ্গ দখলের।
পদ্মশিবিরকে বাংলায় আরও শক্ত করতে দুর্গা ষষ্ঠীতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) ভাষণ দেন , উদ্বোধন করেন দুর্গাপুজোর। আর এবার বাংলার পালস্ বুঝতে ৬ই নভেম্বর ফের রাজ্যে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)।
তবে তারা কি রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না তিনি। তৃণমূল সরকারের (trinamool congress) বিঁধে জেপি নাড্ডা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ের তলার মাটি আলগা হচ্ছে। পা স্লিপ করে যাচ্ছে। ফলে বিজেপি (BJP) রাজ্যে পরবর্তী সরকার তৈরি করবে বলে দাবি করেছেন তিনি। বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গুডবাই জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।
বাংলায় আসার আগে এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে জেপি নাড্ডা জানিয়েছেন, বিজেপি দায়িত্বশীল দল। সব ধরনের সংবেদনশীলতাকে তারা ভোটে রূপান্তরিত করবেন। মনোযোগ দিয়ে, উদ্দেশ্য নিয়ে মাটিতে পা রেখে বিজেপি কাজ করে চলেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বিগত বছরগুলোতে বঙ্গে বিজেপির রাজনৈতিক শক্তি বৃদ্ধি পেয়েছে। যা নিয়েই বিজেপি লড়াই করতে বদ্ধ পরিকর। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি রাজ্যে ৪০ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। যেখানে ২০১১-র বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া শিবির পেয়েছিল ২ শতাংশ ভোট। ২০১৯-এর লোকসভায় রাজ্য থেকে ৪২ টি আসনের মধ্যে বিজেপি ১৮ টি আসন দখল করেছিল। বিধানসভার নিরিখে ২৯৪ টি আসনের মধ্যে ১২৯ টি আসনে এগিয়ে ছিল বিজেপি। বর্তমানে ২৯৪ সদস্য বিশিষ্ট বিধানসভায় বিজেপির আসন সংখ্যা ১৬।
তিনি আরও দাবি করেছেন, রাজ্যে ধর্মীয় বিভাজনে নেই গেরুয়া শিবির। তাঁর মতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্মীয় বিভেদের জন্য সমর্থন হারাননি, সঠিকভাবে সরকার না চালানো, মানুষের সঙ্গে প্রতারণার কারণে রাজ্যের মানুষ তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ বলে দাবি করেছেন জেপি নাড্ডা।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!