বিজেপি নেতা কিঙ্কর মাজির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় রণক্ষেত্রের আকার নিল বাগনান। আজ বাগনানে দলীয় নেতাকে খুনের অভিযোগে ১২ ঘন্টার বন্ধ ডেকেছিল বিজেপি। বন্ধের সমর্থনে আজ বিজেপি মিছিল শুরু করতেই তাদেরকে রাস্তা আটকায় পুলিশ এবং শুরু হয় সংঘর্ষ। পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করলে কয়েকজন বিজেপি কর্মী আহত হন। এলাকায় তৈরি হয় উত্তেজিত পরিস্থিতি। অন্যদিকে তৃণমূল বনধ-এর প্রতিবাদে পাল্টা মিছিল বের করলে ঘটনা অন্য দিকে মোড় নেয়।
আজ অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সকাল থেকেই বাগনান এলাকায় ছিল প্রচুর পুলিশি প্রহরা। তৈরি রাখা হয়েছিল র্যাফ, জলকামান।
গতকাল বাগনানে সৃষ্টি হয় অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি কারণ দলের নেতাকর্মীরা কিছুতেই দলীয় নেতা কিঙ্কর মাঝির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাকে মেনে নিতে পারেননি। কাল থেকেই দফায় দফায় এলাকায় চলছে অবরোধ এবং মূল অভিযুক্তের বাড়ি ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।ঘটনার পর থেকে তার বাড়ির সামনে পুলিশি প্রহরা বসেছে।
অন্যদিকে কিঙ্কর মাজির বাড়িতে যেতে বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁ’কে বাধা দেয় পুলিশ। তখন তিনি বাগনান থানায় উপস্থিত হন এবং থানার সামনে আগুন জ্বালিয়ে অবস্থান-বিক্ষোভ দেখান তার সঙ্গে উপস্থিত বিজেপি সমর্থকরা।
গুলিবিদ্ধ নেতা কিঙ্কর মাঝি করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। আজ এনআরএস হাসপাতালে তার ময়নাতদন্ত করা হবে। তার দেহ কলকাতা পুরসভার হাতে তুলে দেওয়া হবে এবং স্বাস্থ্য দপ্তরের গাইডলাইন মেনে সৎকার হবে জানা গিয়েছে হাসপাতাল সূত্রে। হাসপাতালের বাইরে রয়েছে কড়া পুলিশি প্রহরা।
জানা গিয়েছে সৎকার পর্বে পরিবারের লোকজন যেতে পারবেন। তবে বিজেপি জানিয়েছে যে সৎকারে দলের কয়েকজন যাতে থাকতে পারেন তার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছিল কিন্তু তারা এখনও কোনো জবাব দেননি।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!