সংসার চালাতে সবচেয়ে আবশ্যক টাকা। আর তা চাইতেই পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না থানার নাড়ুগ্রামের আলেয়া বেগমকে পড়তে হলো স্বামীর রোষানলে। বেঘোরে গেল প্রাণ।
সংসার চালাতে টাকা চেয়েছিল সে। আর সেই টাকা না মেলায় দুটো কটূ কথা শুনিয়ে দিয়েছিল স্বামীকে। আর তাতেই রেগে অগ্নিশর্মা স্বামী। মুগুর দিয়ে মাথায় আঘাত করে স্ত্রী’কে মেরে ফেলল সে। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য।
উল্লেখ্য, শেখ জমিরউদ্দিনের সঙ্গে ২৫ বছর আগে তাঁর বিয়ে হয় আলেয়া বেগমের । তাঁদের চারটি কন্যাসন্তান রয়েছে। তার মধ্যে তিন কন্যার বিয়ে হয়ে গিয়েছে। অভাবের সংসারের কারণে ইদানিং স্বামীর সঙ্গে আলেয়ার অশান্তি চলছিল। সংসার চালাতে রবিবারই স্বামীর কাছে টাকা চেয়েছিলেন আলেয়া। আর তা নিয়েই দু’জনের মধ্যে অশান্তি চরমে ওঠে। রাতেও প্রবল বচসা হয়। সেই অশান্তি চরম পৌঁছলে রাগের মাথায় মুগুর দিয়ে স্ত্রী’র মাথায় আঘাত করে বসে জহিরউদ্দিন। সংজ্ঞা হারিয়ে বিছানায় লুটিয়ে পড়েন আলেয়া। তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার পর সকাল হতেই সোমবার এলাকা ছাড়ে জহিরউদ্দিন।
নাড়ুগ্রাম থেকে বর্ধমানে পালিয়ে যায় সে। সেখানে কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করার পর অনুশোচনা হয় তার। সরাসরি চলে যান রায়না থানায়। সেখানে পুলিশ অফিসারদের কাছে স্ত্রী’কে খুন করার কথা জানান তিনি। প্রথমে তার কথা বিশ্বাস করতে চাননি রায়না থানার পুলিশ অফিসাররা। তাকে থানায় বসিয়ে রেখে বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়। বিছানায় পড়েছিল আলেয়ার মৃতদেহ। এই খবর পাওয়ার পর জহিরউদ্দিন শেখকে গ্রেফতার করে রায়না থানার পুলিশ।






