বিধানসভা নির্বাচনের আগে গেরুয়া নিয়ন্ত্রণে পাহাড়ি রাজনীতি! বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁধল সুভাষ ঘিসিংয়ের দল

পাহাড়ে দাপট বজায় রাখছে গেরুয়া শিবির।বৃহস্পতিবার রাতেই জিএনএলএফের দার্জিলিং শাখার সভাপতি অজয় এডওয়ার্ডস‌ জানিয়েছেন ‘‌২০১৯–এ লোকসভা নির্বাচনের সময় আমরা বিজেপি–র সঙ্গে জোট বেঁধেছিলাম, সেই জোট বিধানসভা নির্বাচনেও আমরা রাখতে চাই।’‌ আর এই বিষয়ে আলোকপাত করে রাজ্য বিজেপি–র সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেছেন, ‘জিএনএলএফের সঙ্গে জোট বেঁধে আসন্ন নির্বাচনে আমরা লড়াই করব।’‌

এদিনই দার্জিলিংয়ের একাধিক ছোট ছোট রাজনৈতিক দলের নেতারা দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডির সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেখানে তাঁরা মন্ত্রীর সঙ্গে গোর্খাল্যান্ড ইস্যুর স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান নিয়ে আলোচনা করার পাশাপাশি ১১টি গোর্খা সম্প্রদায়কে তফসিলি উপজাতির মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এই বৈঠক শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই এদিন বিজেপি–র সঙ্গে জোট বাঁধার ঘোষণা করেন অজয় এডওয়ার্ডস।

গত অক্টোবর মাসে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি নিজের সমর্থন জানিয়েছেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার অন্যতম নেতা বিমল গুরুং। এরপরই আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে পাহাড়ে নতুন নির্বাচনী জোট বাঁধল পদ্ম শিবির। তবে এ ক্ষেত্রে কোনও একটা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল নয়। পাহাড়ে একাধিক রাজনৈতিক দলের সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছিল বিজেপি শিবির। আর এমন মোক্ষম সময়‌ই বিজেপি–র প্রতি নিজেদের সমর্থনের কথা জানায় গোর্খা ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট (‌জিএনএলএফ)‌। সুবাস ঘিসিংয়ের দলের এই সমর্থন আগামী বিধানসভা ভোটে কাজে আসবে বলে মত দু-পক্ষের।

কি বলছেন  জিএন‌এল‌এফ নেতা মহেন্দ্র ছেত্রী? তিনি জানিয়েছেন, ‘‌২০১৯–এ লোকসভা নির্বাচনের সময় বিজেপি–র সঙ্গে জোট বেঁধেছিলাম, সেই জোট বিধানসভা নির্বাচনেও আমরা রাখতে চাই।’‌

২০১৯ সালে বিধানসভা উপনির্বাচনে জিএনএলএফ প্রার্থী নীরজ জিম্বা জোট করে বিধানসভা ভোটে লড়েন। এ দিন নীরজ জিম্বাও উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে। নীরজের বক্তব্য, ‘পাহাড়ে স্থায়ী সমস্যার সমাধান একমাত্র বিজেপি করতে পারে। তাই তাদের সাথে আলোচনা করে আমরা আমাদের দাবি জানিয়ে এসেছি।’

RELATED Articles