গতকালই তিনি পা রেখেছেন কলকাতার মাটিতে। রাতে নিউটাউনের ওয়েস্টিন হোটেলে তাঁর থাকার বন্দোবস্ত হয়। এরপর সকালে বৈঠক সেরে বেলায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যান স্বামী বিবেকানন্দের পৈতৃক বাড়ি পরিদর্শনে।

এদিন স্বামীজির বাড়ি পরিদর্শন করে আপ্লুত হন তিনি। তাঁর মতে স্বামীজি নিজের স্বল্পায়ুর মধ্যেই ভারতের জ্ঞান, ভারতের সংস্কৃতিকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরেছিলেন। তিনি আরও বলেন আমেরিকায় সর্বধর্ম সম্মেলনে স্বামীজি গোটা বিশ্বকে সনাতন ধর্মের সঙ্গে পরিচয় করিয়েছিলেন। এদিন স্বামীজির পৈতৃক বাড়িতে দাঁড়িয়ে শাহ আরও বলেন, “স্বামীজিই সেই মানুষ যিনি আধুনিকতা ও আধ্যাত্মের মেলবন্ধন ঘটিয়েছিলেন। তিনি ভারতবাসীকে বলেছিলেন, যদি সারা দেশের মানুষ অন্য দেবদেবীদের বাদ দিয়ে ভারতমাতার আরাধনা করেন, তবেই দেশে শান্তি আসবে। আর তার ঠিক ৫০ বছর পরেই ভারত স্বাধীন হয়”।
এদিন তিনি আরও বলেন, “স্বামীজির মতাদর্শের প্রয়োজনীয়তা আগে যতটা ছিল, এখন তার থেকে আরও বেশি রয়েছে। আজ স্বামীজির জন্মস্থানে এসে তাঁকে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিতে পেরে আমার মধ্যে নতুন চেতনার জাগরণ ঘটেছে। আজ এই পবিত্র স্থানে দাঁড়িয়ে আমি এটাই ভগবানের কাছে প্রার্থনা করব, তিনি যেন আমাদের স্বামীজির দেখানো পথে চলার প্রেরণা দেন। আমি মনে করি, এই মার্গ অনুসরণ করলেই শুধু ভারত নয়, সারা বিশ্বের কল্যাণসাধন সম্ভব”।

এদিন স্বামীজির বাড়ি পরিদর্শনের পর একটি টুইট বার্তা দিয়ে তিনি নিজের আবেগ প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, “রামকৃষ্ণ মিশনে এসে ও স্বামীজিকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে হচ্ছে। তিনি ভারতমাতার সন্তান ছিলেন যিনি দেশের পুনরুত্থানে নিজের জীবন অতিবাহিত করেছেন। আশা করব, তাঁর দেখানো পথ ও মতাদর্শই আমাদের আরও উৎসাহিত করবে ভারতের জ্ঞানের আলো আনার ক্ষেত্রে”।
https://twitter.com/AmitShah/status/1340178588838940674?s=20
স্বামীজির বাড়ি পরিদর্শন সেরেই অমিত শাহ হেলিকপ্টারে উড়ে যাবেন পশ্চিম মেদিনীপুর। সেখানে মেদিনীপুর কলেজ ময়দানে তাঁর কর্মসূচী রয়েছে। এদিনের এই সভাতেই শুভেন্দু অধিকারী সরকারীভাবে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেবেন।





