যদি আপনার নিজের গাড়ি থেকে থাকে, ও তাতে ফাস্ট্যাগ না লাগানো থাকে, তবে তা এখুনি করে নেওয়াই শ্রেয়। নচেৎ, আগামী বছর জাতীয় সড়কে গাড়ি নিয়ে যেতে হলে, পোহাতে হবে ভোগান্তি। কারণ, ২০২১-এর ১লা জানুয়ারি থেকে প্রত্যেক চারচাকার গাড়িতে ফাস্ট্যাগ লাগানো বাধ্যতামূলক করল কেন্দ্রীয় পরিবহন মন্ত্রক। আগামী ১লা জানুয়ারি থেকে গাড়িতে ফাস্ট্যাগ লাগানো না থাকলে, গাড়ির মালিককে ১৯৮৯ সালের কেন্দ্রীয় মোটর ভেহিকল আইনে জরমানা করা হবে। দেশের প্রায় ৭২০টি বেশি টোল প্লাজায় এই ফাস্ট্যাগের সাহায্যে টোল নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
দেশের জাতীয় সড়কগুলিতে ভিড় এড়াতে ও পরিবহণ সময় কমাতে বিভিন্ন টোল প্লাজাগুলিতে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র।
জানা গিয়েছে, ২০১৭ সাল থেকে কেনা নতুন চারচাকা গাআরি কেনা ও নথিভুক্তির সময় ফাস্ট্যাগ লাগানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা সেক্ষেত্রে ফাস্ট্যাগের ব্যবস্থা করে।
এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় পরিবহণ মন্ত্রকের এক পদস্থ কর্তা বলেন, “সমস্ত চারচাকার গাড়িতে ফাস্ট্যাগ লাগাতে হবে। ফাস্ট্যাগ লাগানো না থাকলে তা কেন্দ্রীয় মোটর ভেহিকলের নিয়মে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে ও এর জন্য জরিমানাও করা হতে পারে”।
খবর অনুযায়ী, পেটিএম মারফত ৫০০ টাকা দিয়ে ফাস্ট্যাগ কেনা যাবে। এ ক্ষেত্রে ২৫০ টাকা ফেরতযোগ্য সিকিওরিটি ডিপোজিট এবং ন্যূনতম ১৫০ টাকা ব্যালান্স থাকবে।
যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী, সব ধরণের চারচাকার ক্ষেত্রেই এই নতুন নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এর সঙ্গে ৫১ নম্বর ফর্ম সংশোধন করে গাড়ির থার্ড পার্টির বিমার সময় ফাস্ট্যাগ থাকা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।
এই ফাস্ট্যাগ রিচার্জ করার দুটি বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে। প্রথমত, যে ব্যাঙ্ক থেকে ফাস্ট্যাগ কেনা হবে, সেখানেই একটি ওয়ালেট তৈরি করে দেবে। তা ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং, ডেবিট কার্ড বা ক্রেডিট কার্ড মারফর রিচার্জ করা যাবে। দ্বিতীয়ত, পেটিএম বা ফোন পে-র মাধ্যমেও ফাস্ট্যাগ রিচার্জ করা যাবে। এটি ইস্যু করার পাঁচ বছর পর্যন্ত এই ফাস্ট্যাগের বৈধতা থাকবে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে প্রথম ফাস্ট্যাগ ব্যবস্থা চালু হয়। গাড়ির সাম্নের কাঁচে স্টিকারের মতো তা লাগানো থাকে। টোল অতিক্রম করার সময় ওই ফাস্ট্যাগের সিঙ্গে যুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে আপনা আপনিই টাকা কেটে নেওয়া হবে। যানজট এড়ানোর জন্যই এই ব্যবস্থা।






