কেন্দ্রের প্রস্তাবিত কৃষি আইনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে নানান রাজনৈতিক দলগুলি। এই কারণেই রাজ্যের বাম ও কংগ্রেস দল দাবী জানায় রাজ্য সরকার যাতে আস্থা ভোটে জিতে এই কৃষি আইনের বিরুদ্ধে প্রস্তাব পেশ করে। রাজ্য সরকারও বিধানসভায় বিশেষ অধিবেশন ডেকে কৃষি আইনের বিরুদ্ধে প্রস্তাব পেশ করতে রাজী। এই প্রসঙ্গ টেনেই ফের একবার রাজ্য সরকারকে বেলাগাম আক্রমণ শানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
কৃষি আইনের বিরোধিতায় দেশের নানান রাজ্যের অ-বিজেপি সরকারগুলি নিজেদের বিধানসভায় প্রস্তাব পেশ করেছে। বাংলাতেও যাতে সরকার এই একই ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তাই জন্য দাবী তুলেছে বাম ও কংগ্রেস। তাদের দাবী, বিধানসভায় প্রথমে আস্থা ভোট হোক, তারপর নতুন কৃষি আইনের বিরুদ্ধে প্রস্তাব আনুক সরকার। গতকাল, সোমবার নবান্নের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র সরকারের বিতর্কিত তিনটি কৃষি আইনের বিরুদ্ধে অধিবেশন ডেকে প্রস্তাব আনা হবে।
এদিকে মঙ্গলবার সকালে সেন্ট্রাল পার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেড়িয়ে ফের একবার রাজ্য সরকারকে বাক্যবাণে বিঁধলেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, “ভেবেচিন্তে ডাকুন, দেখা গেল অনাস্থা ভোট আসায় সরকারটাই পড়ে গেল। বাম ও কংগ্রেস যেভাবে হুমকি দিচ্ছে।, তা সত্যি হলে মে মাস পর্যন্ত সরকারটাই থাকবে না”। এরপরই তিনি জানান যে, বিজেপির তরফ থেকেও অনাস্থা ভোট আসতে পারে। তার সম্ভাবনা প্রবল।
এদিন রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী কৃষক সম্মান নিধি যোজনাতে রাজ্য সরকারের অনুমতি দেওয়া নিয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেঁধেন তিনি। তাঁর কথায়, বিজেপি অনেকদিন ধরেই রাজ্যে এই প্রকল্প লাগু করতে চাইছে। কিন্তু এই কাজের জন্য এত দেরী হল কেন? এরপর মমতা সরকারকে আক্রমণ করে দিলীপের দাবী, বিদায়ের সময় কৃষকদের কিছু পাওয়ার ব্যবস্থা করছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবী, এতে মুখ্যমন্ত্রী কৃষকদের আশীর্বাদ পাবেন।
এরপর মুখ্যমন্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমি মুখ্যমন্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি”। এও বলেন যে, তিনি মুখ্যমন্ত্রী থাকুন, বা না থাকুন, তাঁর যাতে ভালো হয়, তাই-ই আশা করবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।





