উল্লেখ্য, এদিন সল্টলেকের বনদফতরের অফিসে একসঙ্গে দেখা যায় দুজনকে। যদিও এই সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, উনি এই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। আমাকে ফোন করে কোথায় রয়েছি, সেটা জিজ্ঞাসা করেন। আমি বলি যে আমি সল্টলেকে রয়েছে, আমার শারীরিক অবস্থাও ভালো নয়। রথীন তখন জানান, আমার শারীরিক অবস্থা দেখতে তিনি আসবেন। আমার সঙ্গে ওঁর পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। উনি কোনও কাজে বোধহয় সল্টলেকে এসেছিলেন। উনি আমার ফিজিসিয়ানও। আমি আজ সংবাদমাধ্যমের সামনে কিছু বলব না। গত বেশ কিছুদিন ধরে আমার শরীর ভালো নেই। আমি সর্দি আর কাশিতে ভুগছি।।
জানা গিয়েছে, এদিন দুপুর ২টো নাগাদ রথীন চক্রবর্তী দেখা করেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। প্রায় ৫ ঘণ্টা ধরে বৈঠক চলে দুজনের মধ্যে। যদি এই বৈঠক রাজনৈতিক নয় বলে দাবি করেছেন বনমন্ত্রী। তবে বঙ্গ রাজনীতির এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে কোনও ঘটনাকেই আর ছোট বলে দেখছেন না রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। আর তাই এই দুজনের হঠাৎ বৈঠক ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা।





