সামনেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। আর তা ঘিরে বঙ্গ রাজনীতিতে উত্তাপ এখন যথেষ্টই। সংখ্যালঘু ভোট সব রাজনৈতিক দলেরই এখন প্রধান লক্ষ্য। কোথাও হিন্দু ভোট তো কোথাও মুসলিম ভোট! ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ হয়ে গেছে রাজনীতির সমীকরণ।
স্বর্ণযুগের সিপিএমের একছত্র আধিপত্য সংখ্যালঘু ভোট, আজকের দিনে তা তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে পরিণত হয়েছে। তবে এবার বাংলায় এই মুসলিম ভোট কাটতে আসছে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির দল মিম। বিহারে ৫ টি আসন লাভ করে বাংলাকে টার্গেট করে ফুরফুরা শরিফের আব্বাস সিদ্দিকীর সঙ্গে দেখা করতে গত রবিবার বঙ্গে আসেন মিম প্রধান।
আর এবার এই বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে আসাদউদ্দিন ওয়েইসিকে নিয়ে খুব একটা ইতিবাচক মনোভাব না দেখিয়ে সরাসরি ফুরফুরা শরিফের আব্বাস সিদ্দিকীর বিষয়ে মন্তব্য করে বসেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র। তাঁর মন্তব্যে বাম- কংগ্রেস জোটের সঙ্গে আব্বাসের মিলে যাওয়ার একটা গন্ধ পাওয়া যায়।
কিন্তু সমস্ত ধোঁয়াশা কাটান আব্বাস স্বয়ং। নিজের বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘ভারতের সংবিধান কখনই ধর্মের বিভাজনে পৃথক পৃথক দল গঠনের ক্ষেত্রে সম্মতি দেয় না। আমি সেরকম ধরণেরও মানুষ নই। আমি আদিবাসিদের জন্যও লড়ব, আবার গরীব হিন্দুদের জন্যও লড়ব। সকলের জন্যই করব’।
ক্ষোভ ঝড়িয়ে তাঁর বক্তব্য, ‘বামফ্রন্টের রাজত্বের দেখেছি, অনেক সময় অনেক পীরজাদা ধর্মীয় মঞ্চ থেকেই মুসলিম ভাইদের বামপন্থীর দিকে ঠেলে দিয়েছেন। আবার তৃণমূল এলে দেখেছি যাকে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল, তাকেই আবারও হাত ধরে টেনে তুলে নিজের বলে ডেকে নিচ্ছেন সেই পীরজাদা। আমি ও ধোঁকাবাজি করতে পারব না। মানবতা এবং ইমানের সঙ্গে কাজ করি। দেশের ক্ষতি হয়, এমন কাজ করব না। সৎ মানুষের পাশে থেকে ন্যায়ের জন্য লড়াই করুন। দেশকে ভালোবাসাও কিন্তু ইসলাম ধর্মের এক শিক্ষা। তবে যারাই দেশের সঙ্গে বিরোধিতা করবে, তারাও কিন্তু ইসলাম বিরোধী’।
আব্বাসের কাছ থেকে এইরকম জবাব পেয়ে সিপিএমের উত্তর ২৪ পরগণার জেলা কমিটির বৈঠকে সূর্যকান্ত মিশ্র বলেন, ‘উনি সবসময় ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সমস্ত মানুষের কথা বলেছেন। কখনই একটা ধর্মের বিষয়ে বলেননি। সবসময় নিপীড়িত মানুষের কথাই বলেছেন।’।
“আগে হিন্দু, তারপর বাঙালি…যে রক্ষা আমাদের রক্ষা করবে, আমি তাদের দলে” “আমি হিন্দুস্থান চাই” বাংলায় পদ্মফুলের উত্থানেই খুশি অভিজিৎ ভট্টাচার্য! বিজেপির সাফল্যের পর খুললেন মুখ! গায়কের মন্তব্যে তোলপাড় নেটদুনিয়া!