গতকাল অর্থাৎ বুধবার শহরের একটি পাঁচতারা হোটেলে প্রথমে সমস্ত জেলার পুলিশ সুপার ও কমিশনারেট কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার। পরবর্তীতে তিনি জেলাশাসকদের সঙ্গেও বৈঠকে বসেন। রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অফিসের এক কর্তার কথায়, “গতবারের মতো এবারও যদি রাজ্যে সাত দফায় নির্বাচন হয়, সেক্ষেত্রে ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন ঘোষণা হয়ে যাবে। তাই এখন থেকেই সম্ভাব্য সব রকম প্রস্তুতি শুরু করে দিতে বলা হয়েছে। অপরাধের সংখ্যা শূন্যতে নামিয়ে আনতে বলা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে কোনওরকম ভুল যেন না হয় সেইদিকে সতর্ক দৃষ্টি দিতে বলা হয়েছে।” সুদীপ জৈনের সঙ্গে রাজ্যে এসেছেন কমিশন সচিব রাকেশ কুমার। আজ বৃহস্পতিবারও ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে তাঁদের। সকাল থেকে রাজ্যের বর্তমান করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে। সেখানে মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, স্বাস্থ্যসচিবের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তারপর আয়কর ও শুল্ক বিভাগের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন সুদীপ জৈন।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, চলতি বছরের এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহেই বাংলায় নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করতে চায় কমিশন বলে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই মে মাসে সিবিএসই বোর্ডের পরীক্ষা ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। আর সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ কেরল, অসম, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির নির্বাচন প্রক্রিয়া এপ্রিলেই শেষ করার উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
একইসঙ্গে বাংলায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে রাজ্যকে নির্দেশ দিয়ে গেছেন কমিশনার সুদীপ জৈন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রতি সপ্তাহে প্রশাসনিক কর্তাদের কমিশনে রিপোর্ট দিতে বলেছেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার। কলকাতার পুলিশ সুপার অনুজ শর্মা ও অন্তত দু’টি জেলার পুলিশ সুপারকে উদ্দেশ্যে করে নির্বাচন কমিশনার বার্তা দেন, এলাকা শান্তিপূর্ণ রাখা আপনাদের দায়িত্ব। তা কীভাবে রাখবেন আপনারাই ঠিক করবেন। কোনওরকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না। যত শীঘ্র সম্ভব অভিযোগ শূন্যতে নামিয়ে আনুন। কর্তব্যে গাফিলতি হচ্ছে মনে হলে শোকজ না করেই সরাসরি অপসারণের পথে হাঁটবে কমিশন।





