আগামী ৩০শে জানুয়ারি বেলা ১১টার পর স্তব্ধ হয়ে যাবে গোটা দেশ, কড়া নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

গতকালই কেন্দ্র সরকারের পক্ষ থেকে ‘নেতাজি জয়ন্তী’-কে পরাক্রম দিবস হিসেবে পালন করার নিদান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবার আজ ফের এক নতুন নির্দেশিকা জারি করলেন তিনি। এই বছর থেকে প্রতি বছর মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যুদিন অর্থাৎ ৩০শে জানুয়ারি গোটা দেশে শহিদ দিবস হিসেবে পালন করা হবে। এদিন দেশের জন্য নিজের প্রাণ বলিদান দেওয়া বিপ্লবীদের স্মরণ করা হবে বলে নির্দেশ জারি করেন প্রধানমন্ত্রী।

আজ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন যে এখন থেকে প্রতি বছর ৩০শে জানুয়ারি দিনটি শহিদ দিবস হিসেবে পালন করা হবে ভারতে। এদিন স্বাধীনতার জন্য প্রাণ বলিদান দেওয়া বিপ্লবীদের স্মরণ করার জন্য গোটা দেশে দুউ মিনিটের নীরবতা পালন করা হবে। দেশের সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কেন্দ্র সরকারের এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

নতুন এই নির্দেশে বলা হয়েছে যে, আগামী ৩০শে জানুয়ারি বেলা ১১টার পর ২ মিনিটের জন্য সাড়া দেশে নীরবতা পালন করা হবে। ১১টার পর দু’মিনিটের জন্য দেশজুড়ে থেমে যাবে সমস্ত গতিবিধি। স্তব্ধ হয়ে যাবে সারা দেশ। যেখানে যেমন ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে সেভাবেই সকল মানুষকে ১০টা বেজে ৫৯ মিনিটে সতর্ক করে দেওয়া হবে। যেখানে সাইরেনের ব্যবস্থা আছে, সেখানে সাইরেন বাজিয়ে সবাইকে সতর্ক করে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

নির্দেশিকাতে এও বলা হয়েছে যে, এর আগে নীরবতা পালনের সময় অনেক জায়গাতেই কাজ চলত, গতিবিধি বন্ধ রাখা হত না। কিন্তু এবার থেকে তা আর করলে চলবে না। কেন্দ্রের এই নির্দেশিকা কড়াভাবেই পালন করতে হবে।

উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালে দিল্লির বিড়লা ভবনে বিকেলের প্রার্থনার সময় মহাত্মা গান্ধীকে গুলি করা হয়। এরপর তাঁর মৃত্যু হয়। তারপর থেকে প্রতি বছর ৩০শে জানুয়ারি দিনটি শহিদ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয় গান্ধীজিকে এই দিনে। এই বছর দেশজুড়ে নীরবতা পালন করে গান্ধীজির সঙ্গে অন্যান্য স্বাধীনতা সংগ্রামীদেরও স্মরণ করা হবে।

আরও অন্যান্য খবর