আরও পড়ুন–WB Election 2021: চমকে ভরা বিজেপির ব্রিগেড, ৭ই মার্চ বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন শতাব্দী রায়!!
১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত ২১ মাসেরও বেশি সময় দেশে জরুরি অবস্থা জারি করে রেখেছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। সেই সিদ্ধান্ত একেবারেই ভুল ছিল বলে মেনে নিয়েছেন রাহুল। মঙ্গলবার প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ কৌশিক বসুর সঙ্গে আলাপচারিতায় রাহুল গান্ধী বলেন, ‘আমি মনে করি ওটা একটা ভুল ছিল। অবশ্যই ওটা ভুল। আর আমার ঠাকুমা (ইন্দিরা গান্ধী) এ নিয়ে অনেক বলেছেন। কিন্তু কোনও অবস্থাতেই ভারতের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর উপর আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করেনি কংগ্রেস। সত্যি কথা বলতে কী, সেই দক্ষতাও ছিল না তাদের। আমাদের নীতি সেই কাজে সম্মতি দেয় না।’
কিন্তু তাতেও এই ইস্যুতে বিজেপির কটাক্ষ থেকে বাঁচলেন না সোনিয়া পুত্র। এদিন এক সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ জাভড়েকর বলেন, ‘রাহুল গান্ধী বলেছেন যে জরুরি অবস্থার সময় সব সংস্থা দুর্বল হয়ে পরেনি। ওঁর কথা খুব হাস্যকর ছিল। সেই সময় সরকার সব সংস্থাকে দমিয়ে রেখেছিল। সাংসদ এবং বিধাকদের সেই সময় গ্রেফতার করা হয়েছিল। প্রায় সব দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল খবরের কাগজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আরএসএস নিয়ে বুঝতে রাহুল গান্ধীর অনেক সময় লাগবে।’
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, জরুরি অবস্থার সময় বিজেপির যে নেতাদের জেলবন্দি করা হয়েছিল, তাঁরা বারবার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তোপ দেগে কংগ্রেসের সমালোচনায় মুখর হয়েছেন। সেই সময় মানুষের বাক-স্বাধীনতার অধিকার খর্ব করা হয় এবং সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। গত বছর জুন মাসে ধারাবাহিক ভাবে টুইট করে এই বিষয়ে কংগ্রেসকে একহাত নেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, একটি পরিবার ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাতারাতি গোটা দেশকে জেলবন্দি করেছে।
তার পরিপ্রেক্ষিতে এদিন রাহুল জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্তকে ভুল বলে মেনে নিলেও বিজেপি ও আরএসএস-এর বিরুদ্ধে তোপ দেগে তাঁর অভিযোগ, বর্তমানে ভারতে যা হচ্ছে, তা জরুরি অবস্থার সময়ের থেকে মৌলিকভাবে আলাদা। স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলিতে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ। ভার্চুয়াল কথোপকথনে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের লোক দিয়ে ভর্তি করে রাখছে ওঁরা।






