আজ মঙ্গলবার জোড়ালো ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো পাক অধিকৃত কাশ্মীর। শুধু পাক অধিকৃত কাশ্মীরই নয়, কম্পণের তীব্রতা এতোটাই ছিল যে, তা অনুভূত হয়েছে পাকিস্তানের অন্যান্য স্থানেও। রাজধানী ইসলামাবাদেও অনুভূত হয়েছে কম্পণ। এছাড়াও শিয়ালকোট, রাওয়ালপিন্ডি, লাহোর প্রভৃতি স্থানের কম্পণ অনুভূত হয়েছে। অপরদিকে এই কম্পণ শুধু পাকিস্তানই নয়, তা অনুভূত হয়েছে উত্তর ভারতের বিস্তৃর্ণ এলাকাতেও৷ ভারতের জম্মু কাশ্মীর এবং রাজাধানী দিল্লিতেও এই কম্পণ অনুভূত হয়েছে। ভারত – পাক সীমান্তে এই কম্পণের তীব্রতা মাপা হয়েছে রিখটার স্কেলে ৫.১।
পাক সংবাদ মাধ্যমগুলোর তোলা ছবিতে দেখা গিয়েছে যে ভূমিকম্পের দরুণ বেশ ক্ষতি হয়েছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের। ভেঙে পরেছে একাধিক বাড়িঘর। বড়ো বড়ো ফাটল ধরেছে রাস্তায়। আতঙ্কিত সাধারণ বাসিন্দারা। পাকিস্তানের তরফে জানানো হয়েছে যে তাদের নিরাপত্ত রক্ষীরা ইতিমধ্যেই উদ্ধার কার্যে নেমেছেন৷ মিরপুর জেলার কমিশনার মহম্মদ তায়েব জানিয়েছেন যে, এই ভূমিকম্পে প্রায় ৮ জন স্থানীয়র মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে তিন জন শিশু। এছাড়াও আহত হয়েছে শতাধিক। তাদের পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মিরপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন করা হয়েছে।
পাকিস্তানের মৌসম ভবন এই কম্পণের তীব্রতা ৫.৮ রিখটার স্কেলে জানালেও পাকিস্তানের বিজ্ঞানমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরীর দাবী যে, এই কম্পণের তীব্রতা ছিল ৭.১। এবং তার উৎসস্থল রাওয়ালপিন্ডির দক্ষিণ পূর্বে প্রায় ৮১ কিলোমিটার দূরে৷ যদিও পাকিস্তান মৌসম ভবনের দাবী যে এই কম্পণের উৎসস্থল পাঞ্জাব প্রদেশের ঝিলমের কাছে ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার নীচে৷






