বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে চালু হয় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের “মা প্রকল্প”। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল আমজনতার হাতে ৫ টাকায় খাবার তুলে দেওয়া। সিপিএমের দাবি ছিল শ্রমজীবী ক্যান্টিনকে দেখেই এই প্রকল্প খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
তবে ঘটা করে চালু হলেও বিধানসভা নির্বাচনে জেতার পরই পাততাড়ি গুটিয়ে গেছে বেশিরভাগ ক্যান্টিন। কিন্তু সরানো হয়নি ব্যানার- পোস্টার।
এই প্রকল্পে মাত্র ৫ টাকায় ভাত, ডাল, সবজি আর ডিম মিলত। করোনা আবহে ক্ষুধার্ত মানুষের জন্য এই প্রকল্প চালু করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রথমে অল্পসংখ্যক ক্যান্টিন তৈরি করা হলেও, পরবর্তীতে আরও বিভিন্ন জায়গায় এই ক্যান্টিন খোলার কথাও নিজের প্রতিশ্রুতিতে জানিয়েছিলেন মমতা ব্যানার্জি।
কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি বলছে সেইসব আর নেই। প্রথম প্রথম বিভিন্ন জায়গায় গজিয়ে উঠলেও বর্তমানে ঝাঁপ ফেলেছে এই প্রকল্প।
বামেদের মুখপাত্রের তরফে হিসেব দিয়েঅভিযোগ করে দেখানো হয়েছে বউবাজার অঞ্চলের ২টি ক্যান্টিন, পূর্ব মেদিনীপুরের দুটি জায়গায় নিমতৌড়ি, তমলুক, বর্ধমানের তিনকোনিয়ায়, হাওড়া পৌরসভায় ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে কইপুকুর, টালিগঞ্জে ৯৮ নম্বর ওয়ার্ড, যাদবপুরে ১০৩ নম্বর ওয়ার্ড, বউবাজার এলাকায় ২টি ক্যান্টিন এছাড়াও রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় বিনা নোটিশে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে “মা ক্যান্টিন। ”
যদিও চলতি সপ্তাহে জানা গিয়েছিল শিলিগুড়িতে চালু হচ্ছে আরও তিনটি ‘মা ক্যান্টিন’। কোভিড পরিস্থিতিতে কোনও মানুষ যাতে অনাহারে না থাকে, সেইজন্য মুখ্যমন্ত্রী ওই প্রকল্প হাতে নিয়েছে শিলিগুড়ি পুরসভা। ইতিমধ্যে এই প্রকল্পের জন্য তিনটি জায়গা দেখেছে। শিলিগুড়ি পুরসভার প্রশাসক বোর্ডের চেয়ারম্যান গৌতম দেব বলেন, শহরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে মা ক্যান্টিন চালু করা হয়েছে। শীঘ্রই আরও তিনটি জায়গায় এমন ক্যান্টিন চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তবে এই মা ক্যান্টিনের ভবিষ্যৎ কতটা সুদূর প্রসারী তা সময়ই বলবে।






