২০২১-এর হাইভোল্টেজ বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে যে পরিমাণ দলবদল দেখেছে বাংলা তা বোধহয় আর অন্য কোনও বছরের নির্বাচনেই ঘটেনি। তৃণমূলে কাজ করতে পারছিনা বলে কাতারে কাতারে মানুষ শাসক দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন। তাঁদের দুহাত ভরে অভ্যর্থনা করেছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। আর এতেই ঘটেছে বিপর্যয়! বিজেপির তৃণমূলের বি টিম হতে সময় লাগেনি বেশি। ভোটের আগে বিজেপির ওপর আস্থা কমেছে মানুষের। আর তারই প্রভাব পড়েছে নির্বাচনের ফলে। ব্যাপক ব্যবধানে তৃণমূলের কাছে পর্যদুস্ত হয়েছে গেরুয়া শিবির।
বিজেপির বাংলায় হারে বেজায় চটেছিলেন ত্রিপুরা ও মেঘালয়ের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা তথাগত রায়। এই ঘটনার সম্পূর্ণ তিনি চাপান কেডিএসএ’র ওপর। এই কেডিএসএই হলো বাংলার শীর্ষ নেতৃত্ব। এঁরা হলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষ, অরবিন্দ মেনন ও শিব প্রকাশ। মোদীকে টেনে নামানোর জন্য এঁদের ওপরই ক্ষোভ প্রকাশ করেন তথাগত। সেইসঙ্গে দলবদলুরা তো আছেনই।
তথাগত বাবু জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এলেই দিল্লিতে গিয়ে তিনি বাংলায় বিজেপির বিপর্যয়-এর সম্পূর্ণ বিবরণ দেবেন।
প্রসঙ্গত বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি তারকা মহিলা প্রার্থী পায়েল সর্কার তনুশ্রী চক্রবর্তী, শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় কে নগরের নটি বলে আখ্যা দিয়েছিলেন তথাগত বাবু। সমালোচনা করেন বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের। এই ঘটনার পরই তাঁকে তলব করা হয় কেন্দ্রের তরফে।
সেখানেও জোর গলায় বাংলায় বিজেপি বিপর্যয়ের বিষয়ে নিজের ব্যক্তিগত ভাবনা চিন্তা এবং মতামত কেন্দ্রের সামনে তুলে ধরেন তিনি। তিনি ইতিমধ্যেই নিজের মতামত জানিয়ে দিয়েছেন এবং এই বিষয়ে কেন্দ্রকে নিজের রিপোর্ট জমা দেবেন বলেও জানিয়েছেন।





