তৃণমূলের তখন জন্মও হয়নি, তখন থেকেই আর্জেন্টিনার জার্সির রঙ নীল-সাদা। কিন্তু এবার সেই রঙের সঙ্গেই নিজের দলের নীল-সাদা রঙের তুলনা টেনে আনলেন তৃণমূল নেতা মদন মিত্র।
তৃণমূল নেতার কথায়, “মেসি কিন্তু ব্লু অ্যান্ড হোয়াইটকে জনপ্রিয় করে দিলেন। আমার তো মনে হচ্ছিল, তৃণমূলের জার্সি পরে মাঠে খেলতে নেমেছেন মেসি”।
মদন মিত্রের এমন অদ্ভুত দাবী শুনে হবাক ফুটবল প্রেমীরা। একই সঙ্গে নানান কটাক্ষ ও ক্ষোভ ধেয়ে এসেছে মদন মিত্রের দিকে। কিন্তু সেসবে থোড়াই তোয়াক্কা করেন। তিনি তো মজে রয়েছেন নিজের খেয়ালেই।
২০১১ সালের স্মৃতি এখনও ভুলতে পারেননি তৃণমূল নেতা। এই কারণেই বলে উঠলেন, “আর্জেন্টিনার জয়ের পর আমি নস্ট্যালজিক হয়ে পড়েছি। ভাবছিলাম, এই মানুষটার হাতেই আমি পুরস্কার তুলে দিয়েছিলাম”।
বলে রাখি, ২০১১ সালে লিও মেসি এবং তাঁর দল আর্জেন্টিনা ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে প্রদর্শনী ম্যাচ খেলতে এসেছিলেন কলকাতায়। সেই ম্যাচটি যুবভারতীতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২রা সেপ্টেম্বর। এই ম্যাচে মেসিরা ১-০ গোলে জয়ী হন। তবে এই ম্যাচে মেসি গোল না করলেও তিনিই যে আকর্ষণের কেন্দ্রে ছিলেন, তা বলাই বাহুল্য।গোটা যুবভারতীর নজর ছিল তাঁর উপরেই। মেসির জাদুতে সে দিন একেবারে আচ্ছন্ন হয়েছিল যুবভারতী।
পেলে বা মারাদোনা নন, মদন মিত্রের কাছে মেসিই বিশ্বের সেরা ফুটবলার। তিনি বলেন, “পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়, আমার চোখে মেসি। যাঁকে আমি সামনে দেখে দেখেছি। ওঁকে যেটুকু দেখেছি, তাতে আমার মনে হয়েছে, মেসি কিছুটা উদাসীন প্রকৃতির। খুব বেশি বিতর্কে ও থাকতে চান না। তিন থেকে চার ঘণ্টা যখন অনুশীলন করতেন, তখন ভুলেই যেতেন, আশেপাশে আর কেউ রয়েছেন। মেসি কিন্তু কলকাতায় নীল-সাদা ব্রিগেডকে জনপ্রিয় করে দিয়ে গেলেন”।





