রাজ্যের জনগণের স্বার্থে সরকারের তরফে চালু হয়েছে দুয়ারে সরকার প্রকল্প। সেই প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এবার এই প্রকল্পে সামিল হল সিপিএমও। এমন অভিনব সৌজন্যের রাজনীতি দেখে হতবাক পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দারা। তবে সিপিএমের এমন উদ্যোগ যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
বিজেপির বিরোধিতায় একজোট হচ্ছে নানান বিরোধী দলগুলি। বামেদের তরফেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে জাতীয় বা রাজ্য স্তরে বিজেপিকে পর্যুদস্ত করতে তৃণমূলের সঙ্গে হাত মেলাতে রাজী সিপিএম। এমনকি, ত্রিপুরাতে তৃণমূল যুব নেতাদের উপর হামলার ঘটনায় নিন্দায় সরব হয় সে রাজ্যের বাম নেতারাও।
আরও পড়ুন- মনরেগা প্রকল্পে গত চার বছরে ১০০ দিনের কাজে ৯৩৫ কোটি টাকার নয়ছয় নানান রাজ্যে, রয়েছে বাংলার নামও
গত ১৬ই আগস্ট থেকে দ্বিতীয় দফায় জেলায় জেলায় দুয়ারে সরকার প্রকল্প শুরু হয়েছে। সরকারি প্রকল্পের সাহায্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে উদ্যত রাজ্য সরকার। এ কথা মাথায় রেখে শুরু হয়েছে নানান জায়গায় ক্যাম্পও। সেই ক্যাম্পে ভিড়ও হচ্ছে চোখে পড়ার মতো।
এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে এই প্রকল্পে সামিল হল সিপিএমও। পশ্চিম মেদিনীপুরের কর্নেল গোলার শ্রী নারায়ণ গার্লস স্কুলে চলছে দুয়ারে সরকার প্রকল্প। এই স্কুলের বাইরেই হেল্প ডেস্ক খুলল সিপিএম। সেখানে চলছে ফর্ম ফিলআপ। তাদের এই কাজকে সাধুবাদ জানিয়েছে সেখানকার মানুষ। তবে এর পিছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্যের গন্ধ পাচ্ছে রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুন- খুন-হামলা-ধর্ষণের আখড়া হয়ে উঠেছে বীরভূম, সিবিআইয়ের পেশ করা রিপোর্টে তোলপাড় রাজ্য
দুয়ারে সরকার প্রকল্পে সিপিএমের হেল্প ডেস্ক চালু করা প্রসঙ্গে সিপিএমের স্থানীয় কমিটির সম্পাদক সুকুমার আচার্য বলেন, “আমরা দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করি বরাবর। এবারও রাজ্য সরকারের ভাল কাজ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমরা কাজ করছি। তবে রাজ্য সরকারের উচিৎ প্রতি ব্লকে ব্লকে ক্যাম্প করা। তাহলে এত ভিড় হত না”। তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘটনা পিছনে তৃণমূলের কাছাকাছি আসার চেষ্টা চালাচ্ছে বামেরা পাচ্ছে।





