কুমারী পূজার নিয়মকে মানেন না অ্যাংরি দিদি, ঊর্না ব্যানার্জীর পূজা নিয়ে সংবাদমাধ্যমে অকপট স্বীকারোক্তি

আর কিছুদিন পরেই দেবীপক্ষের সূচনা, মা দূর্গার আগমনী বার্তা ইতিমধ্যেই বেজে উঠেছে আকাশে বাতাসে। পূজা মানেই বাঙালির কাছে একটা আবেগ ও ভালোবাসা। পূজার চারটে দিন সকলেই অপেক্ষা করে থাকে নিজেদের মত করে পূজা উপভোগ করতে।

সকলের মতোই পূজা নিয়ে নিজের মত করে আনন্দ করেন সোশ্যাল মিডিয়া তে অ্যাংরি দিদি নামে পরিচিত ঊর্ণা ব্যানার্জি।ছোটবেলা থেকেই পূজা কাটিয়েছেন তার মামারবাড়ী পুরুলিয়ায়। সপ্তমী থেকে দশমী সেটাই পূজোয় তার গন্তব্য স্থল। দীর্ঘদিন ধরে কলকাতায় কাটালেও পূজা মানেই নিজের ঘরে ফেরা, ব্যাতিক্রম নন ঊর্না।

পুরুলিয়ার পুজো নিয়ে নিজের অনুভূতি ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। পুরুলিয়াতে থিম পুজো এত হিড়িক নেই বরং সাবেকিয়ানার সাজে মায়ের পূজা আড়ম্বর অনেক বেশি। সেখানে প্রতিযোগিতা থেকে পূজা নিয়েই মানুষের মধ্যে আনন্দে মেতে থাকাটাই অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে।

বাড়ির পাশে বেলুড় মঠ হলেও কখনো পূজা দেখেননি তিনি। এমনকি কুমারী পূজা নিয়ে একেবারেই অকপট ঊর্না। তিনি জানান “নিয়ম অনুযায়ী কুমারীকে হতে হবে নিখুঁত, নিপুণ। কী অদ্ভুত এক অবিচার লুকিয়ে আছে এই নিয়মে। আমি নিজে কোনওদিন কুমারী হতে পারব না, কারণ জন্ম থেকেই আমার চোখে সমস্যা ছিল। আমার মতো এ রকম কত মেয়েই পারবে না দেহের কোনও বিকৃতি বা অসুখের জন্য। অথচ, যোগ্যতা কি কখনও পরিমাপ করা যায় শরীরের গঠন দিয়ে? এই প্রশ্নের উত্তর পাইনি আজও।”

তবে পুরুলিয়ার সন্ধি পূজা নিয়ে বেশ আবেগতাড়িত ঊর্না।পুরুলিয়ার মিঠে ভাষায় এর নাম খ্যান।এই সময় সকলেই মাকে ঘিরে থাকে। ধুনোর ধোয়ায় ভরে যায় চারপাশ। দুর্গা প্রতিমা মুখে ফুটে ওঠে যেন এক উজ্জ্বল দীপ্তি।

Khabor24x7 Desk

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর