কোনওরকম রাজনৈতিক রঙ ছাড়াই আবাসনে পুজো করতে চেয়েছিলেন নিউটাউন সি সি ব্লকের আবাসিকরা। তাতেই ঘটল বিপত্তি। শাসকদলের কথা মতো পুজো না করার জেরে বন্ধই হয়ে গেল নিউটাউন সি সি ব্লকের পুজো। দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবের জেরে বন্ধ মণ্ডপ তৈরি। এই ঘটনা নিয়ে শাসকদলের উপর ক্ষোভ উগড়ে দিলেন সেই ব্লকের বাসিন্দারা।
প্রত্যেক বছরই বেশ জাঁকজমক করেই দুর্গাপুজোর আয়োজন করা হয় নিউটাউনের সি সি ব্লকে। এবছরও সময়মতোই শুরু হয়েছে মাতৃবন্দনার প্রস্তুতি। বাঁধা হচ্ছিল মণ্ডপ। কিন্তু বাঁশ খাটানোর সময়ই সেখানে উপস্থিত হয় একদল দুষ্কৃতী। মণ্ডপ তৈরির মিস্ত্রিদের রীতিমতো হুমকি দেওয়া হয়।
শুধু তাই-ই নয়, বাসিন্দাদের অভিযোগ, সেই দুষ্কৃতীদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্রও ছিল। তা দেখিয়েই মিস্ত্রি ও আবাসনের বাসিন্দাদের হুমকি দেয় তারা। এরপর বাসিন্দারা একজোট হয়ে এর প্রতিবাদ জানালে পিছু হটে দুষ্কৃতীরা। কিন্তু এই দুষ্কৃতীদের হুমকিতে ভয় পেয়ে মিস্ত্রিরা কাজ করতে অস্বীকার করেন ও চলে যান। এর জেরে বন্ধ হয়ে যায় মণ্ডপ তৈরির কাজ।
এর জেরে সেই ব্লকে আদৌ পুজো হবে কী না, সেই নিয়ে ধন্দে ছিলেন অনেকেই। কিন্তু বাসিন্দাদের কথায় তারা মায়ের পুজো করবেনই। মায়ের পুজো কোনওভাবেই বন্ধ করতে রাজি নন তারা। এক বাসিন্দার অভিযোগ, যে সমস্ত দুষ্কৃতীরা আগ্নেয়াস্ত্র হাতে হুমকি দিতে এসেছিল।, তারা সকলেই ‘বহিরাগত’।
শুধু তাই-ই নয়, সেই বাসিন্দা এও জানান যে ওই দুষ্কৃতীরা এসে এক পঞ্চায়েত নেতার নাম করে হুমকি শানিয়েছেন। পঞ্চায়েতের তরফেই এই পুজো বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানায় দুষ্কৃতীরা, দাবী বাসিন্দাদের।
তবে তারা এও জানান যে এই হুমকির ঘটনার পরই সেখানে উপস্থিত হয় পুলিশ। তারা আবাসিকদের নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছেন ও নির্দ্বিধায় পুজোর আয়োজন করতে বলেছেন। এই ঘটনায় আবাসিকরা ওই দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্তদের থানায় ডেকে পাঠায় পুলিশ। তাদের ধমকি দেওয়া হয়েছে ও এই পুজোয় যাতে তারা কোনওরকমের কোনও বাধার সৃষ্টি না করে, সেই নিয়ে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে দাবী আবাসিকদের।






