ফের দশমীর দিন বাংলাদেশের মন্দিরে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল। বাংলাদেশের নোয়াখালীতে অবস্থিত ইসকনের একটি মন্দিরে দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবের ঘটনা সামনে এল। মন্দিরে বেশ কিছু জিনিসে আগুন লাগানো ও মন্দিরে উপস্থিত ভক্তদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন ইসকনের মুখপাত্র।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, নোয়াখালির চৌমুহনীতে প্রায় ৫০০ জন দুষ্কৃতী মন্দিরে হামলা চালায়। এই হামলার নেতৃত্বে সেদেশের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলিগেরই নেতা ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। এই হামলায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম জতন কুমার সাহা। বাংলাদেশের নানান এলাকায় মন্দির-মণ্ডপে হামলার প্রতিবাদে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ আজ চট্টগ্রামে অর্ধেক বেলা হরতালের ডাক দিয়েছে।
এই ঘটনার পর ইসকনের তরফে টুইট করে লেখা হয়, “বাংলাদেশের নোয়াখালিতে ইসকন মন্দির ও ভক্তদের উপর আজ একটি হিংস্র হামলা হয়েছে। এই হামলায় মন্দিরের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে এবং একজন ভক্তের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আমরা সকল হিন্দুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি”।
https://twitter.com/iskcon/status/1449029665578831873?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1449029665578831873%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fbangla.hindustantimes.com%2Fnation-and-world%2Fbangladeshi-temple-of-iskcon-in-noakhali-targeted-by-mobs-31634351502901.html
বলে রাখি, এর আগে অষ্টমীর দিন কুমিল্লার বহু পুজোমণ্ডপ, মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুর এবং আগুন লাগায় দুষ্কৃতীরা। এই নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। এরপরই বাংলাদেশের ২২ জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়।
জানা গিয়েছে, কুমিল্লার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৪৩ জনকে আটক করা হয়েছে। কুমিল্লার পর চাঁদপুর, গাজীপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে মন্দির ও মণ্ডপে হামলা এবং প্রতিমা ভাঙচুরের খবর পাওয়া যায়। এর আগেও সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ এবং পুলিশের গুলিতে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।






