সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ আগে মানেনি দিল্লি সরকার। বরং দূষণ নিয়ন্ত্রণ করতে একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। কিন্তু এবার সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনা মুখে পড়ে ভোল বদল করল কেজরিওয়াল সরকার।
দিল্লি সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হল যে লকডাউনে তারা রাজি। আজ, সোমবার সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা করে এমনটাই জানাল দিল্লি সরকার। এই বিষয় নিয়ে কেন্দ্রের কাছে আগামীকাল, মঙ্গলবার সন্ধ্যের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।
সোমবার দিল্লি সরকার হলফনামা দিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জানায় যে মাত্রাছাড়া দূষণ রুখতে লকডাউন করতে রাজি প্রশাসন। এও বলা হয়েছে যে শুধু রাজধানীই নয়, এরই সঙ্গে গুরুগ্রাম ও নয়ডাতেও লকডাউন করা হবে।
https://twitter.com/ANI/status/1460118922582278148?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1460118922582278148%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.sangbadpratidin.in%2Findia%2Fdelhi-govt-tells-supreme-court-that-it-is-ready-to-impose-complete-lockdown-to-control-air-pollutio%2F
দিল্লি প্রশাসনের মতে, ফসলের গোড়া পোড়ানোর জেরে দূষণের মাত্রা বেড়েছে। আর এর জন্য পঞ্জাব ও হরিয়ানার সরকারকে দায়ী করেছে দিল্লি। কিন্তু গত শনিবার সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া লকডাউনের পরামর্শকে উপেক্ষা করে ৭ দিনের জন্য স্কুল-কলেজ, নানা নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় কেজরিওয়াল সরকার। সরকারি অফিসে চালু করা হয় ওয়ার্ক ফ্রম হোম।
কিন্তু পরিস্থিতি ক্রমেই হাতের বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে। এই কারণে সেই লকডাউনের পথেই হাঁটছে দিল্লি সরকার। এইন বিষয় নিয়ে এদিন সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল-জবাবে বিচারপতিরা তীব্র ভর্ৎসনা করেছেন। প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা দিল্লি সরকারের আবেদনকে ‘অজুহাত’ বলে কটাক্ষ করেছেন।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, তিনি স্পষ্ট করে দেন যে কোন রাজ্য কী কী পদক্ষেপ নেবে, তা ঠিক করে দেওয়া শীর্ষ আদালতের কাজ নয়। বরং দিল্লি সরকারই সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ঠিক করুক। আর তা জরুরি ভিত্তিতে করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার এনিয়ে সুপ্রিম কোর্টকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে হবে।
সুপ্রিম কোর্টের তরফে দিল্লির দূষণ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তিনটি ধাপের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে যে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, দিল্লিতে ভারী ট্রাকের প্রবেশ বন্ধ করা ও কঠোরভাবে লকডাউন পালন করেই দূষণের বিরুদ্ধে লড়তে হবে। এও জানানো হয়েছে যে পঞ্জাব-হরিয়ানা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে ফসল পোড়ানোর বিষয়টি কিছুদিন স্থগিত রাখার পরামর্শও দেওয়া হবে।






