ফের রাজ্য সরকার ও রাজ্যপালের সংঘাত। রাজ্যপালের ডাকা বৈঠক বয়কট করেছেন মুখ্যসচিব ও ডিজি। এই নিয়ে তিনদিনে দ্বিতীয়বার বৈঠক বয়কট করা হয়েছে বলে জানান জগদীপ ধনখড়।
রাজ্য সরকার ও রাজ্য পুলিশদের নিয়ে পরপর তিনদিন বৈঠক ডাকা হয়। তাদের না আসা নিয়েই টুইট করেন রাজ্যপাল। একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি জানান যে নেতাইকাণ্ড নিয়ে রাজ্যপালের ডাকা বৈঠকে কেবল তিনি একাই বসে রয়েছেন।
রাজ্যপাল আরও জানান যে পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা কোথায় পৌঁছেছে, তা বোঝার জন্য এই উদাহরণই যথেষ্ট। তিনি রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। তিনি রাজ্য প্রশাসনের দুই কর্তাকে বারবার বৈঠকে ডাকছেন, কিন্তু তারা সেই আবেদন অগ্রাহ্য করছেন।
রাজ্যপাল ভিডিওবার্তায় জানান যে মুখ্যসচিব এবং ডিজি তাঁর ডাকা বৈঠকে যোগ দেননি। এটি একটি সাংবিধানিক ত্রুটি। তাঁর কথায় এই ঘটনা তাদের কাজের প্রতি অবমাননা। রাজ্যপাল অভিযোগ করেন যে পশ্চিমবঙ্গে শাসকের নিয়ম আছে কিন্তু নিয়মের শাসন নেই।
টুইট করে জগদীপ ধনখড় লেখেন, “রাজ্যপালের ডাকা বৈঠক বয়কট করেন মুখ্যসচিব ও ডিজি। ৩দিনে ২বার এমনটা ঘটেছে। এটি পদক্ষেপযোগ্য, ক্ষমার অযোগ্য সাংবিধানিক ত্রুটি। এই সাংবিধানিক ত্রুটি শীর্ষ আধিকারিকরা করেছেন”।
এই বিষয়ে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় জানান, “রাজ্যপালের কাজই রাজ্য সরকারকে উত্যক্ত করা। রাজ্যপালের কাজই বিজেপির মুখপাত্র হয়ে কাজ করা। তাঁর কাজই হচ্ছে অবান্তর মন্তব্য করা। আইন অনুযায়ী যা যা করতে হয়, রাজ্য সরকার তা করছে। সংবিধান অনুযায়ী যেটা করা যায়না সেটা রাজ্যপাল করছেন, টুইট করছেন, বিবৃতি দিচ্ছেন। সংবিধানে কোথায় লেখা আছে যে রাজ্যপাল প্রকাশ্যে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিবৃতি দিতে পারবেন”।





