চলছে ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত। গত বৃহস্পতিবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সামরিক অভিযান ঘোষণা করার পরই সে দেশের দিকে দিকে শুরু বারুদের গন্ধ। রাজধানী কিয়েভে পৌঁছেছে রুশ সেনাবাহিনী। এই দুই দেশের সংঘাতের মধ্যে নিরপেক্ষই থেকেছে ভারত এখনও পর্যন্ত।
ইউক্রেন ও রাশিয়ার সংঘাতে বাকি দেশগুলির অবস্থান ও পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে কথা বললেন ব্রিগেডিয়ার দেবাশিস দাস। কী জানালেন তিনি?
ব্রিগেডিয়ারের কথায়, ইউক্রেন এখনও পর্যন্ত NATO-এর অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এর ফলে NATO থেকে যে নিরাপত্তা অন্য দেশ পায়, ইউক্রেন পাবে না। তবুও NATO-এর তরফে ইউক্রেনের পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে সেনা পাঠানো হচ্ছে, কিন্তু তারা যে ইউক্রেনে ঢুকতে পারবে না, তা ভালমতো জেনে গিয়েছে রাশিয়া। এই কারণে তাদের ইউক্রেনে ঘাঁটি গড়া আরও সহজ হবে।
এছাড়াও, এটাও বলে রাখা দরকার ইউরোপের নানান দেশ যেমন জার্মানি, ফ্রান্সের মতো অনেক দেশই অর্থনৈতিক ও জ্বালানির জন্য রাশিয়ার উপরই নির্ভরশীল। এই কারণে সেইসমস্ত দেশ ইউক্রেনকে আদপে কতটা সাহায্য করবে, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ব্রিগেডিয়ার। এই কারণে ইউক্রেনকে লড়াইটা একাই করতে হবে বলে মত তাঁর।
এই কারণে তিনি ভারতের উদাহরণ টেনে বলেন যে “বর্তমানে আমরা দেখতে পাচ্ছি চীন তাইওয়ানের কাছাকাছি চলে এসে ভারতে ঢোকার চেষ্টা চালাচ্ছে। তাই ভবিষ্যতে যদি বড় কোনও শক্তি ভারতের উপর আক্রমণ করে তাহলে ভারতকেও কিন্তু একাই লড়তে হবে। ইউক্রেনের থেকে ভারতের শিক্ষা নেওয়া উচিত যে একা লড়াইটা কীভাবে চালাতে হয়”।






