এই বিশ্বে নানান সময় নানান ধরণের রেকর্ড তৈরি হয়। বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা এই রেকর্ডকে স্বীকৃতি দেন। এই তালিকায় বিশ্বের সবথেকে বয়স্ক ব্যক্তিরও একটি স্থান রয়েছে। তবে এর জন্য ওই ব্যক্তির নির্দিষ্ট শংসাপত্র থাকা অতি আবশ্যক।
সম্প্রতি এক মহিলার ছবি বেশ ভাইরাল হয়েছে। সেই মহিলার ছবি দিয়ে দাবী করা হচ্ছে যে তাঁর বয়স নাকি ৩৯৯ বছর। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মহিলার চোখ কোটরে ঢুকে গিয়েছে, তাঁর শরীরের পুরো চামড়া শুকিয়ে গিয়েছে। তিনি নাকি বিশ্বের সবথেকে বয়স্ক মহিলা, এমনই দাবী উঠেছে।
তাঁর বয়স ৩৯৯ বছর এই বিষয়টি বিশ্বাস করতে যেন সকলকেই একটু বেগ পেতে হচ্ছে। কিন্তু কিছু ছবির ভিত্তিতে বলা হয়েছে তাঁর বয়স নাকি ৩৯৯ বছর। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই মহিলার ছবিগুলি যাচাই করে দেখা হয়।
জানা যায়, ওই ছবিগুলি আসলে একজন বৌদ্ধ ভিক্ষুর। তিনি নিজেই নিজেকে মমিতে পরিণত করে রেখেছেন। এই ছবিটি পরীক্ষা করে জানা গেল যে দুটিই একই মহিলার ছবি। এরপরই নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে যে দুটি খবরই ভুয়ো।
এই ছবিগুলি বয়স্ক মানুষের কিন্তু ওই মহিলার বয়স কোনওমতেই ৩৯৯ নয়। একজন মানুষ যদি ৪০০ বছর বেঁচে থাকে, তাহলে বৈজ্ঞানিক মহলে হইচই পড়ে যাবে। এখনও পর্যন্ত মানুষের সর্বোচ্চ বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ বছর।
মস্কোর ইনস্টিটিউট পফ ফিজিক্স অ্যান্ড টেকনোলোজির গবেষক পিটার ফেডিচেভ বলেছেন যে ওষুধ ও ভালো খাবারের সাহায্যে একজন মানুষকে সুস্থ রেখে কয়েক বছর বাঁচিয়ে রাখা যায় কিন্তু তাঁর বয়স ৪০০ বছর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া অসম্ভব।
@auyary13 অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারী একজন টিকটকার এই মহিলার ছবি শেয়ার করেছেন। জানা গিয়েছে, তিনি ওই ব্যক্তির নাতনি। ওই ব্যক্তির আসল নাম লুয়াং ফো আই আর তিনি একজন বৌদ্ধ ভিক্ষু। তাঁর আসল বয়স ৩৯৯ নয়। তাঁর আসল বয়স ১০৯ বছর।
জানা গিয়েছে, তিনি থাইল্যান্ডে থাকেন এবং বর্তমানে হাসপাতালেই তার জীবন কাটান। এই বয়সেও তিনি নিজের বেশিরভাগ কাজ নিজেই করেন। বর্তমানে, বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তির খেতাব জাপানের কেন তানাকার নামে রয়েছে, যার বয়স ১১৯ বছর। ২রা জানুয়ারী ১৯০৩ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি।






