আজ, মঙ্গলবার সকাল থেকেই বারাবনির ১৭৫ নম্বর বুথে ধুন্ধুমার কাণ্ড। বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়ি ভাঙচুর করা হয় এদিন। পাথরবৃষ্টির পাশাপাশিলাঠির বাড়িও মারা হয় তাঁর গাড়িতে। এর জেরে রক্তাক্ত হন অগ্নিমিত্রা পালের নিরাপত্তারক্ষী। এদিন ওই বুথে গিয়ে প্রিসাইডিং অফিসার না থাকার অভিযোগ তোলেন বিজেপি প্রার্থী। এরপরই তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়।
অগ্নিমিত্রা পালের গাড়ির পেছনেই ছিল সংবাদমাধ্যমের গাড়িগুলিও। কিন্তু আচমকাই সংবাদমাধ্যমের গাড়ির রাস্তা আটকায় পুলিশ। সামনে একটি পুলিশের গাড়ি দাঁড় করিয়ে সংবাদমাধ্যমের গাড়িগুলিকে যেতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এর জেরে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায় গোটা এলাকায়।
সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা নির্বাচন কমিশনের দেওয়া পরিচয়পত্র নিয়েই ভোট কভার করতে বেরিয়েছিলেন বলে খবর। কিন্তু সেই পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও কেন সংবাদ মাধ্যমের গাড়ি আটকে দেওয়া হল, সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে প্রশ্ন। এদিকে অগ্নিমিত্রা পাল গাড়ি থেকে নেমে পুলিশ আধিকারিককে প্রশ্ন করেন, “আপনারা এভাবে সংবাদ মাধ্যমের অধিকার খর্ব করতে পারেন না”।
এই নিয়ে এক পুলিশ আধিকারিক জানান, “আমাদের কাছে অর্ডার আছে”। জেলা প্রশাসনের নির্দেশ রয়েছে বলেও দাবী করে পুলিশ। কিন্তু নির্দিষ্ট কোনও নির্দেশ তাঁরা দেখাতে পারেন নি। অগ্নিমিত্রা জানিয়েছেন, “এভাবে মিডিয়াকে আটকানো যায় না। আসলে গোটা দেশ তৃণমূলের অত্যাচার দেখুক এটা চাইছে না পুলিশ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই এটা হচ্ছে”। এরপর প্রায় ৪০ মিনিট পর পদস্থ পুলিশ কর্তারা এসে জানান যে সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা যেতে পারবেন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে যে তাদের আটকানো যাবে না।
এই ঘটনায় বিজেপির রাজ্যসভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “পুলিশ কিছু লুকোতে চাইছে। সেকারণে সংবাদ মাধ্যমকে আটকানো হচ্ছে”।






