আজ, মঙ্গলবার আসানসোলের বারবনিতে লোকসভা উপনির্বাচনের জন্য প্রচারে বেরিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল। সেখানে তাঁর গাড়ির উপর হয় হামলা। এদিন তাঁর গাড়ির ঠিক পেছনেই ছিল নানান সংবাদমাধ্যমের গাড়িগুলিও। ভোটকেন্দ্রের খবর কভার করতে যাচ্ছিল তারা। তাদের কাছে ছিল নির্বাচন কমিশনের ইস্যু করা কার্ডও।
কিন্তু তা সত্ত্বেও খবর কভার করতে বাধা দেওয়া হয় সংবাদমাধ্যমকে। সংবাদমাধ্যমের গাড়ি আটকায় পুলিশ। পুলিশের তরফে জানানো হয় যে তাদের কাছে উপরমহলের নির্দেশ রয়েছে যে সংবাদমাধ্যমকে যেতে দেওয়া যাবে না। কিন্তু এই নিয়ে কোনও লিখিত নির্দেশ দেখাতে পারে নি পুলিশ।
এই ঘটনায় বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “এভাবে মিডিয়াকে আটকানো যায় না। আসলে গোটা দেশ তৃণমূলের অত্যাচার দেখুক এটা চাইছে না পুলিশ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই এটা হচ্ছে”।
এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় যে সংবাদমাধ্যম ‘ফ্রি মুভমেন্ট’ করতে পারে। কোনও বাধা দেওয়া যাবে না তাদের। এরপর প্রায় ৪০ মিনিট আটকে রাখার পর পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা জানান যে সংবাদমাধ্যমকে আটকানো হচ্ছে না। তারা যেতে পারেন।
তৃণমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ জানান, “নির্বাচনের সময় রাজ্যের পুলিশ নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণাধীনে থাকে । তাই বারবার সব জায়গায় পুলিশের নাম তুলে আনা উচিত নয়”। কিন্তু সংবাদমাধ্যমকে যে পুলিশ আটকেছে, তা তো স্পষ্ট।
কিন্তু এবার প্রশ্ন উঠেছে যে নির্বাচন কমিশনের ইস্যু করা কার্ড থাকা সত্ত্বেও কেন সংবাদমাধ্যমকে আটকানো হল? এই নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে রাজ্য পুলিশ। ৪০ মিনিট আটকে রাখার পর কেন সংবাদমাধ্যমকে ছাড়া হল? এই ৪০ মিনিট এলাকার ভিতরে কী চলেছে যা সংবাদমাধ্যমের সামনে প্রকাশ হতে দিতে চায় না পুলিশ। তাহলে কী এই ৪০ মিনিটের মধ্যে তৃণমূলের কোনও কাজ সাড়া হয়ে গিয়েছে, যার জন্য সংবাদমাধ্যমকে আটকানো হয়েছিল? এমন নানান প্রশ্ন এখন ভিড় করে আসছে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে।






